নতুন সুপারসনিক LRASSCM ক্ষেপণাস্ত্র শীঘ্রই প্রস্তুত করবে DRDO

নয়াদিল্লি, ২১ মার্চ: ভারতের দূরপাল্লার হামলা চালানোর সক্ষমতা একটি বড় ধরনের গতি পেয়েছে। ডিআরডিও (DRDO) নতুন লং রেঞ্জ এয়ার-টু-সারফেস সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল (LRASSCM)-এর জন্য ‘অ্যাকসেপ্টেন্স…

LRASSCM missile

নয়াদিল্লি, ২১ মার্চ: ভারতের দূরপাল্লার হামলা চালানোর সক্ষমতা একটি বড় ধরনের গতি পেয়েছে। ডিআরডিও (DRDO) নতুন লং রেঞ্জ এয়ার-টু-সারফেস সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল (LRASSCM)-এর জন্য ‘অ্যাকসেপ্টেন্স অফ নেসেসিটি’ (এওএন) পেয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ভারতীয় বিমান বাহিনীর শক্তি বহুগুণে বাড়িয়ে দিতে পারে।

এর বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলো কী হবে?
এই ক্ষেপণাস্ত্রটি সুপারসনিক গতিতে উড়তে সক্ষম হবে। এর মানে হলো এটি শব্দের গতির চেয়েও দ্রুত গতিতে চলবে। সূত্রমতে, এতে র্যা মজেট প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে, যা ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের মতো ক্ষেপণাস্ত্রগুলোতে ব্যবহৃত প্রযুক্তির অনুরূপ। এর ফলে ক্ষেপণাস্ত্রটি আরও দ্রুত তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে, যা শত্রুপক্ষকে পাল্টা জবাব দেওয়ার জন্য খুব কম সময় দেবে।

   

এটি কোথায় মোতায়েন করা হবে?
প্রতিবেদন অনুসারে, এই ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রথমে সুখোই এসইউ-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমানে মোতায়েন করা হবে। এই বিমানটিকে ভারতীয় বিমান বাহিনীর মেরুদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এটি ভারী অস্ত্র বহনে সক্ষম, যে কারণে এটি এলআরএএসএসসিএম-এর জন্য পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। এসইউ-৩০এমকেআই বিমানে এই ক্ষেপণাস্ত্রটির পরীক্ষা শীঘ্রই শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই পরীক্ষাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্রটির সংযোজন, উৎক্ষেপণ এবং উড্ডয়নকালীন কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হবে। শুধুমাত্র এর পরেই এটিকে সম্পূর্ণরূপে সামরিক বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

এর কাজ কী হবে?
এই ক্ষেপণাস্ত্রটি দূর থেকে স্থল ও সমুদ্রের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হবে। এর মানে হলো, ভারতীয় যুদ্ধবিমানগুলো শত্রুপক্ষের ভূখণ্ডে প্রবেশ না করেই বড় ধরনের হামলা চালাতে পারবে। এই প্রকল্পটি ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগের অধীনেও অপরিহার্য বলে বিবেচিত হয়। এটি ভারতকে বিদেশি ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর নির্ভরতা কমাতে সাহায্য করবে।

এলআরএএসএসসিএম-এর সংযোজন ভারতের সামরিক শক্তি ও আঘাত হানার ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে, বিশেষ করে সেইসব এলাকায় যেখানে শত্রুপক্ষের শক্তিশালী বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে।