কেন্দ্রের বড় পদক্ষেপ, লাদাখে ৫ নতুন জেলার ঘোষণা মোদী সরকারের

সোমবার বড় ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পাঁচটি নতুন জেলা পেল কেন্দ্র শাসিত লাদাখ। এ দিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে বলেন,…

সোমবার বড় ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পাঁচটি নতুন জেলা পেল কেন্দ্র শাসিত লাদাখ। এ দিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে বলেন, ‘মোদী সরকার লাদাখের মানুষদের জন্য অবাধ সুযোগ তৈরি করে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নতুন পাঁচটি জেলা গঠন করা হল। এই জেলাগুলি হল ঝান্সকর, দ্রাস, শাম, নুবরা ও চাংথাং। এতে প্রতিটি কোণে সরকারের সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে যাবে।’

অমিত শাহের এই ঘোষণার পরই প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এক্স হ্যান্ডল পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আরও উন্নত প্রশাসন এবং লাদাখের উন্নয়নের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জ়াংস্কর, দ্রাস, শাম, নুব্রা এবং চাংথাং-কে এবার জেলা হিসেবে আরও বেশি নজর দেওয়া হবে। সাধারণ মানুষের দুয়ারে সমস্ত সরকারি পরিষেবা আরও সহজভাবে পৌঁছে দেওয়া হবে। লাদাখের মানুষকে অনেক অভিনন্দন জানাই।’

Advertisements

৩৭০ অনুচ্ছেদ অবলুপ্তির পরই লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মর্যাদা দেয় মোদী সরকার। ২০১৯ সাল থেকে সরাসরি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তত্ত্বাবধানে রয়েছে লাদাখ।

আধার কার্ডে ঠিকানা আপডেট করার জন্য লাগবেনা নথি, জানুন কি ভাবে সম্ভব

অধিকার রক্ষায় গত বছর ডিসেম্বরে অমিত শাহের মন্ত্রককে লেহ এপেক্স বডি এবং কার্গিল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সের পক্ষ থেকে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়। সেই স্মারকলিপিতে সমস্যা সমাধানে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্র দাবি না মানলে, অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনে অনশনের পেথে হাঁটা হতে পারে বলেও দেওয়া হয়েছিল হুঁশিয়ারি। লাদাখের জন্য দুটি লোকসভা আসনের দাবি করা হয়। একটি কার্গিল এবং অন্যটি লেহ। সেই সঙ্গে দাবি করা হয়েছে লাদাখের মানুষের জন্য সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করার।

নবান্ন অভিযানের ডাক বেআইনি, বড় হুঁশিয়ারি মমতার পুলিশের

লাদাখকে পূর্ণ রাজ্যের স্বীকৃতি সহ একগুচ্ছ দাবিতে অনশনে বসেছিলেন সোনম ওয়াংচুক। জেলা ঘোষণার পর তিনি বলেছেন, ‘লাদাখের সাংবিধানিক সুরক্ষা এবং সেখানকার মানুষদের রাজনৈতিক অধিকারের জন্য আমার লড়াই চলবে।’ একইসঙ্গে হিমায়লের বাস্তুতন্ত্রের সুরক্ষাও ছিল সোনম ওয়াংচুকের অন্যতম দাবি। সোনম ওয়াংচুকের অভিযোগ, প্রাকৃতিক সম্পদকে রক্ষা করার যে আশ্বাস সরকার ২০১৯-২০ সালে দিয়েছিল, তা রক্ষা করা হয়নি। লাদাখকে পূর্ণ রাজ্যের স্বীকৃতিও দেওয়া হয়নি। সেখানকার পরিবেশরক্ষার ক্ষেত্রেও কোনও দৃঢ় পদক্ষেপ করেনি কেন্দ্র।