BSF-এর সতর্কতায় সীমান্তে ড্রোন হামলার বিপদ কাটল

সাম্বা: জম্মু-কাশ্মীরের সাম্বা জেলায় ইন্দো-পাক (BSF)আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে মাওয়া এলাকায় একটি বড়সড় নিরাপত্তা হুমকি এড়িয়ে গেল বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF)-এর তৎপরতায়। সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তে পাকিস্তান…

bsf-averts-drone-threat-india-pakistan-border-samba

সাম্বা: জম্মু-কাশ্মীরের সাম্বা জেলায় ইন্দো-পাক (BSF)আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে মাওয়া এলাকায় একটি বড়সড় নিরাপত্তা হুমকি এড়িয়ে গেল বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF)-এর তৎপরতায়। সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তে পাকিস্তান থেকে ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র-গোলাবারুদ ও মাদক পাচারের চেষ্টা বেড়ে যাওয়ার মধ্যেই এই উদ্ধার অভিযান সফল হয়েছে।

BSF ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের যৌথ টিমের তৎপরতায় ড্রোন-ড্রপ করা একটি কনসাইনমেন্ট উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে ছিল ২টি পিস্তল, ৩টি ম্যাগাজিন এবং ২টি গ্রেনেড। এই জব্দির ফলে সম্ভাব্য জঙ্গি হামলা বা অন্য কোনও অপরাধমূলক কার্যকলাপ রুখে দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল রাতে। স্থানীয় সূত্র ও সীমান্তে নজরদারির সময় BSF জওয়ানরা সন্দেহজনক ড্রোনের গতিবিধি লক্ষ্য করেন।

   

স্ক্র্যামজেট কম্বাস্টারের সফল পরীক্ষা চালিয়ে বিশ্বকে হাইপারসনিক শক্তি দেখাল ভারত

পাকিস্তানের দিক থেকে উড়ে আসা এই ড্রোনটি সীমান্ত পেরিয়ে ভারতীয় এলাকায় প্রবেশ করে এবং মাওয়া এলাকার কাছে একটি প্যাকেট ফেলে দিয়ে দ্রুত ফিরে যায়। সতর্ক BSF টহলদল তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে এবং স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ (SOG)-এর সঙ্গে মিলে তল্লাশি শুরু করে। একটি স্রোতের তীরে হলুদ টেপে মোড়া প্যাকেটটি পাওয়া যায়।

বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের সাহায্যে সতর্কতার সঙ্গে প্যাকেটটি খোলা হয় এবং তার ভিতর থেকে উদ্ধার হয় ২টি পিস্তল (একটি চীনা তৈরি ৯এমএম এবং অন্যটি গ্লক), ৩টি ম্যাগাজিন, কয়েক রাউন্ড গুলি এবং ২টি হ্যান্ড গ্রেনেড।এই ধরনের ড্রোন-ড্রপ অভিযান সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সীমান্তে একটা নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৫ সালে BSF একাই ২৫০-এরও বেশি পাকিস্তানি ড্রোন নিষ্ক্রিয় করেছে এবং শতাধিক অস্ত্র, গ্রেনেড ও কয়েকশো কেজি হেরোইন জব্দ করেছে।

মাওয়া-সাম্বা সেক্টরে এই ধরনের ঘটনা নতুন নয়। আগেও এখানে একাধিকবার অস্ত্র ও মাদকের চালান ধরা পড়েছে। কিন্তু এবারের এই অপারেশন বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে জঙ্গি সংগঠনগুলি এলাকায় অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে বলে আশঙ্কা ছিল। BSF-এর এই সফলতা সেই সম্ভাবনাকে অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে।উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলির মধ্যে গ্রেনেড ও পিস্তলগুলি সাধারণত জঙ্গি হামলা বা ঘাতকদের হাতে ব্যবহারের জন্য পাঠানো হয়।

তদন্তকারীরা মনে করছেন, এগুলি পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির কাছে পৌঁছানোর উদ্দেশ্যেই ড্রোনের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছিল। এখন এই অস্ত্রগুলি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে যাতে ড্রোনের উৎস, ফ্লাইট পাথ এবং সম্ভাব্য জঙ্গি যোগাযোগের হদিস মেলে।