প্রতিষ্ঠা দ্বাদশী অনুষ্ঠানে রাজনাথ, রামের নামেই মুখর অযোধ্যা

অযোধ্যা আবারও ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উন্মাদনায় মুখরিত। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত প্রতিষ্টা দ্বাদশী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। অনুষ্ঠানে রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) বলেন, “অযোধ্যার প্রতিটি ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
Rajnath Singh on White Collar Terrorism

অযোধ্যা আবারও ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উন্মাদনায় মুখরিত। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত প্রতিষ্টা দ্বাদশী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। অনুষ্ঠানে রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) বলেন, “অযোধ্যার প্রতিটি শ্বাসে রামের উপস্থিতি অনুভূত হয়। প্রতিটি কোণে, প্রতিটি মুহূর্তে রামের অনুপ্রেরণা বিদ্যমান।” তাঁর এই মন্তব্যে পুরো অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ যেন রামভক্তির আবহে ভেসে ওঠে।

প্রতিষ্ঠা দ্বাদশী অনুষ্ঠানটি অযোধ্যার নতুন মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান যা রামের নতুন মন্দিরের স্থাপত্য ও ধর্মীয় মাহাত্ম্যকে স্মরণ করিয়ে দেয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য ও কেন্দ্রের বিশিষ্ট রাজনৈতিক, সামাজিক এবং ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রামভক্তরা যোগ দেন এই মহৎ অনুষ্ঠানে।

   

রাজনাথ সিংয়ের ভাষণে উঠে আসে অযোধ্যার ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ব। তিনি বলেন, “রামের জন্মভূমি হিসেবে অযোধ্যা শুধুমাত্র একটি শহর নয়, এটি সমগ্র দেশের আধ্যাত্মিক চেতনার কেন্দ্রবিন্দু। প্রতিটি পাথর, প্রতিটি নদী, প্রতিটি সড়ক যেন রামের গল্প বলে।” তাঁর এই বক্তব্যে দর্শক ও ভক্তরা আনন্দ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। প্রতিষ্ঠা দ্বাদশী অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা এবং পূজা-কর্মের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হয়। শাস্ত্রানুসারে হোম, যজ্ঞ এবং বিশেষ প্রার্থনার মাধ্যমে মন্দিরের মাটিতে পবিত্রতা আরোপ করা হয়। রাজনাথ সিং এসব অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে পবিত্রতা ও ঐতিহ্যকে সম্মান জানান। এছাড়াও তিনি বলেন, “এ ধরনের অনুষ্ঠান আমাদের সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে আরও দৃঢ় করে। রামের প্রতি ভক্তি ও শ্রদ্ধা আমাদের মধ্যে একতা ও ঐক্যের বোধ সৃষ্টি করে।”

ভক্তদের অভিজ্ঞতা ও প্রতিক্রিয়ায় দেখা যায়, রাজনাথ সিংয়ের উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরও গুরুত্ববহ করেছে। অনেকেই জানান, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর উপস্থিতি এবং তাঁর উদ্দীপক বক্তব্যে অনুষ্ঠান আরও ভক্তিময় ও প্রেরণামূলক হয়েছে। এছাড়াও রাজনাথ সিং রাজনৈতিক ও সামাজিক সহমতের বার্তা দেন। তিনি বলেন, “অযোধ্যার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মান বজায় রাখতে আমরা সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। রামের আদর্শ আমাদের পথপ্রদর্শক।” প্রতিষ্ঠা দ্বাদশীর অনুষ্ঠানটি শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি সমগ্র দেশের ভক্তি, ঐক্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিফলন। রাজনাথ সিংয়ের বক্তব্যে স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে যে, অযোধ্যা শুধুমাত্র একটি শহর নয়, এটি ভারতের আধ্যাত্মিক চেতনার কেন্দ্রবিন্দু। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা একমত, যে এমন উদযাপন দেশের সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করে।

রাজনাথ সিং অনুষ্ঠানের শেষভাগে আরও বলেন, “রামের অনুপ্রেরণায় আমাদের জীবন ও সমাজকে নৈতিক, ধার্মিক ও শান্তিপূর্ণ করা সম্ভব। প্রতিটি নাগরিকের উচিত এই পবিত্রতা ও আধ্যাত্মিক চেতনার মধ্যে নিজেকে স্থান দেওয়া।” তাঁর এই বক্তব্যে পুরো অযোধ্যা যেন রামময় আবহে পূর্ণ হয়ে ওঠে।

 

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google