নয়াদিল্লি: রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে ভাঙন শুধু নয়, সংসদীয় রাজনীতিতেও বড়সড় ধাক্কা খেল ঘাসফুল শিবির। এনসিপিআই (NCPI)-তে ২০ জন সাংসদের বিদ্রোহ ও যোগদানের জেরে লোকসভায় তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা ২৮ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৮-এ। আর এই রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের প্রভাব সরাসরি এসে পড়ল লোকসভার অন্দরে। সংসদের বাদল অধিবেশনের শুরুতেই প্রথম সারির আসন হারালেন তৃণমূলের ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পরিবর্তে ওই জায়গায় বসলেন এনসিপিআই সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।
অভিষেকের নতুন আসন
এতদিন লোকসভায় প্রথম সারিতেই বসতেন অভিষেক। কিন্তু দল ভাঙার পর সংসদীয় দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথম সারিতে জায়গা দেওয়া হয়েছে এনসিপিআই-এর নেতা হিসেবে। আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথম সারি থেকে সরিয়ে দ্বিতীয় সারিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, অতীতে অভিষেক যখন তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা হয়েছিলেন, তখন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে পিছনের সারিতে সরিয়ে প্রথম সারিতে বসার জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু নতুন সমীকরণে পুরনো সেই অবস্থান হারালেন অভিষেক।
কেন এই রদবদল?
সংসদ সূত্রে খবর, এনসিপিআই এখন এনডিএ-র অন্যতম প্রধান শরিক। তাই তাদের দলনেতা হিসেবে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথম সারিতে জায়গা দেওয়া হয়েছে। রবিবার বিকেলে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এনসিপিআই সাংসদদের আবেদন মেনে তাদের জন্য আলাদা আসন বরাদ্দ করেন। এর আগেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছিলেন, তৃণমূলের মতো ছোট দলকে কেন প্রথম সারিতে বসতে দেওয়া হবে? সাংসদ সংখ্যা কমে ৮ হয়ে যাওয়ায় তৃণমূলের সংসদীয় মর্যাদা এবং আসন বিন্যাসে এই পরিবর্তন অনিবার্য হয়ে পড়েছিল।
এই রদবদল কার্যত সংসদে তৃণমূলের গুরুত্ব কমে যাওয়ার ইঙ্গিত বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। একদিকে সরকার পক্ষের এনডিএ জোটের শরিক হিসেবে এনসিপিআই-এর দাপট, অন্যদিকে তৃণমূলের এই ভরাডুবি সংসদের অন্দরে এক নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের জন্ম দিল।
ফের সফল মেড ইন ইন্ডিয়া! মাত্র ১২ মাসেই তৈরি হাফ-স্কেল ই-ভিটিওএল ‘সিলা ১.০’
অসামান্য সাফল্য! বাংলাদেশকে পিছনে ফেলে ব্রিটেনের মাটিতে ৩৫% সস্তা ভারতীয় পোশাক





