Ghatak Stealth UCAV: ভারতীয় বিমান বাহিনী (আইএএফ) দ্রুত নিজেদের আধুনিকায়ন করছে। ভারতের স্টেলথ ড্রোন প্রকল্প, ঘটক ইউসিএভি, এখন গবেষণা পর্যায় থেকে পরিচালন পর্যায়ে এগিয়ে যাচ্ছে। রিপোর্ট অনুসারে, ভারতীয় বিমান বাহিনী (আইএএফ) এই স্টেলথ ড্রোনের প্রায় ৬০ থেকে ৮০টি ইউনিট কেনার পরিকল্পনা করছে। তবে, ভবিষ্যতে এই সংখ্যা ১৫০ পর্যন্ত বাড়তে পারে। ভবিষ্যতে ভারতীয় বিমান বাহিনীর অভিযানে ড্রোন একটি প্রধান ভূমিকা পালন করবে।
এই মারাত্মক ইউসিএভিটি বিশেষভাবে শত্রুসেনার অনেক গভীরে আক্রমণ চালানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে। এর স্টিলথ নকশা (উড়ন্ত ডানা) রাডার ফাঁকি দিতে সাহায্য করে, ফলে এটি অত্যন্ত সুরক্ষিত এলাকাতেও সহজে চলাচল করতে পারে।
এটি কীভাবে কাজ করবে?
ভারতীয় বিমান বাহিনী (IAF) এটি একা ব্যবহার করবে না। এটি ‘সশস্ত্র-সশস্ত্র দলবদ্ধকরণ’ (manned-unmanned teaming) নামক নতুন ধারণার অধীনে পরিচালিত হবে। এই ব্যবস্থায়, মিশন সম্পন্ন করার জন্য যুদ্ধবিমান এবং ড্রোন একসাথে কাজ করবে। এএমসিএ এবং তেজস এমকে২-এর মতো যুদ্ধবিমানগুলো এই ব্যবস্থার সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করবে। একটি যুদ্ধবিমান কমান্ডার হিসেবে কাজ করবে, যার সাথে থাকবে একটি মারাত্মক ইউসিএভি এবং দুটি ছোট ‘অনুগত উইংম্যান’ ড্রোন।
প্রাণঘাতী ইউসিএভিগুলো সুনির্দিষ্ট হামলা চালাবে। প্রাণঘাতী ইউসিএভিগুলো শত্রুর ভূখণ্ডের গভীরে প্রবেশ করে সুনির্দিষ্ট হামলা চালাবে। ছোট ড্রোনগুলো সুরক্ষা দেবে এবং শত্রু যুদ্ধবিমান বা ড্রোনকে প্রতিহত করবে। এছাড়াও, যুদ্ধবিমানটি একটি নিরাপদ দূরত্ব থেকে পুরো অভিযানটি নিয়ন্ত্রণ করবে, ফলে পাইলটদের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যাওয়ার প্রয়োজন কমবে এবং অভিযানটি আরও নিরাপদ ও কার্যকর হবে।
প্রকল্পটি ডিআরডিও দ্বারা তৈরি করা হচ্ছে। এই প্রকল্পটি ডিআরডিও-র তত্ত্বাবধানে তৈরি করা হচ্ছে। এতে দেশীয় কাবেরী ইঞ্জিন ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। উৎপাদনে লার্সেন অ্যান্ড টুব্রোকে একটি প্রধান ভূমিকা দেওয়া হতে পারে। ২০৪০ সালের মধ্যে ভারতীয় বিমান বাহিনীর কাছে ১৫০টি পর্যন্ত প্রাণঘাতী স্টেলথ ড্রোন থাকতে পারে। এটিকে এমন একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে যা ভারতের বিমান শক্তিকে সম্পূর্ণরূপে রূপান্তরিত করবে, যেখানে ভবিষ্যতের যুদ্ধ মানুষ এবং যন্ত্র একসাথে লড়বে।




















