৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েও আমির খানের দাবি মেটাতে হয়েছিল করিনাকে!

সিনে জগতে প্রায় প্রতিদিনই ঘটে নানা ঘটনা। আর সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় জল্পনা-কল্পনা। বি-টাউনের হাঁড়ির খবর জানতে সবসময় উৎসুক নেটিজেনরা। আর সেই খবর যদি নামজাদা হিরো-হিরোইনকে ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us
Kareena Kapoor-Aamir Khan

সিনে জগতে প্রায় প্রতিদিনই ঘটে নানা ঘটনা। আর সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় জল্পনা-কল্পনা। বি-টাউনের হাঁড়ির খবর জানতে সবসময় উৎসুক নেটিজেনরা। আর সেই খবর যদি নামজাদা হিরো-হিরোইনকে ঘিরে হয়, তাহলে তো আর কোনো কথাই নেই।

বলিউডের বেবো অর্থাৎ অভিনেত্রী করিনা কাপুর খানের (Kareena Kapoor)  সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকার নিয়ে শুরু হয়েছে নানান মুখরোচক খবর। অভিনেত্রী ওই সাক্ষাৎকারে আমির খানের সঙ্গে লাল সিং চাড্ডা সিনেমায় অভিনয়ের অভিজ্ঞতা কথা শেয়ার করেছিলেন। আর সেখানেই তিনি জানালেন কিভাবে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও আমির খানের এই দাবি মেটাতে হয়েছিল তাকে।

   

লাল সিং চাড্ডা সিনেমায় অভিনয়ের আগেই করিনা জানতে পেরেছিলেন যে, তিনি দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিতে চলেছেন। সিনেমার শুটিং চলাকালীন তিনি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। করোনা পরিস্থিতির জন্য ডাক্তাররা সরাসরি নিষেধ করেছিলেন তাকে আউটডোরে গিয়ে শুটিং করতে। কিন্তু একথা আমির খানকে জানাতেই আমির তাকে পাল্টা অনুরোধ করেছিলেন শুটিং বন্ধ না করতে।

করিনা এবিষয়ে আরো জানিয়েছেন, মূলত আমির খানের অনুরোধেই পাঁচ মাসের গর্ভাবস্থাতেও একটানা শুট করতে হয়েছিল অভিনেত্রীকে। সারাদিন ধরে তিনি লাল সিং চাড্ডার শুটিং সেরে তারপর বাড়ী ফিরতেন বলে জানিয়েছেন করিনা।

সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী আরও জানান, আমির খানের সঙ্গে তার পেশাগত সম্পর্ক ছিল বহুদিনের। যে কারণে ওই অনুরোধে আমিরকে না বলতে পারেননি তিনি। যে কারণে ডাক্তাররা তার শরীরের যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দিলেও সারারাত ধরে শুটিং করে সকাল বেলা বাড়ি ফিরে আসতেন করিনা।

এক্ষেত্রে বলাই বাহুল্য, একথা সামনে আসতেই বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সবকিছু জানার পরেও কেন আমির খান এরকম অন্যায় আবদার করলেন করিনার কাছে সেই প্রশ্নই এখন তুলছেন নেটিজেনরা।

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google