কিভাবে মুম্বাইয়ে প্রথম বাড়ি কিনলেন কার্তিক? অভিনেতা জানালেন নিজেই

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা কার্তিক আরিয়ান (Kartik Aaryan)। শুধুমাত্র অভিনয়ের মাধ্যমেই নয় বরং বিনম্রতা এবং অনুপ্রেরণামূলক জীবনযাত্রার জন্যেও কার্তিক দর্শকদের মন জয় করে চলেছেন। সম্প্রতি একটি…

Kartik Aaryan shares the story behind buying his first home in Mumbai. Discover how the actor made this major milestone and his experience in a recent interview.

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা কার্তিক আরিয়ান (Kartik Aaryan)। শুধুমাত্র অভিনয়ের মাধ্যমেই নয় বরং বিনম্রতা এবং অনুপ্রেরণামূলক জীবনযাত্রার জন্যেও কার্তিক দর্শকদের মন জয় করে চলেছেন। সম্প্রতি একটি ইভেন্টে মুম্বইয়ের অভিনয় জীবনের শুরুর দিনগুলির গল্প শেয়ার করেছেন। কার্তিক অভিনয় জীবন শুরুর দিকে ভাড়া থাকতেন ইয়ারি রোডের একটি বাড়িতে। পরবর্তীতে সেই বাড়িটি কীভাবে কিনলেন সেই কথা জানিয়েছেন।

২০১৯ সালে কার্তিক আরিয়ান (Kartik Aaryan) একটি অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছিলেন। সেই বাড়িতে অভিনয় জীবনের শুরুতে পেয়িং গেস্ট হিসেবে থাকতেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কার্তিক ইয়ারি রোডের রাজকিরণ কো-অপ হাউজিং সোসাইটিতে পাঁচ তলা বাড়ির জন্য ১.৬০ কোটি টাকা খরচ করেছেন, যার কার্পেট এরিয়া ৪৫৯ বর্গফুট। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে, অভিনেতা এই বিষয়ে বলেছেন, “বহুত বড়া সুকুন মিলতা হ্যায় যাব আপ আপনা খুদকা ঘার খরীদ পাতে হ্যায়।”

   

তিনি আরও, “মুম্বাই আমার কর্মভূমি, এখানে যদি আপনি আপনার ক্যারিয়ার গড়তে পারেন এবং নিজের জন্যে কিছু করতে পারেন, তাহলে কিছু অর্জনের অনুভব করবেন। আমি সেটাই অনুভব করেছিলাম যখন মুম্বাইয়ে আমার প্রথম সম্পত্তি কিনেছিলাম। আমি সেই বাড়িটি কিনেছি, যেখানে আমি অন্যান্য সংগ্রামীদের সাথে ভাড়া থাকতাম। সেটা ছিল ইয়ারি রোডে।”

কার্তিককে (Kartik Aaryan) শেষ দেখা গেছে ‘ভুল ভুলাইয়া ৩’ সিনেমায় মাধুরী দীক্ষিত, বিদ্যা বালান এবং তৃপ্তি ডিমরি’র সাথে। এখন কার্তিক আরিয়ান ‘তু মেরি মেইন তেরা মেইন তেরা তু মেরি’ সিনেমার কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন, যা পরিচালনা করছেন সমীর বিদ্বান্স এবং যৌথভাবে প্রযোজনা করছে ধর্মা প্রোডাকশনস ও নামাহ পিকচার্স।

সিনেমাটির প্রযোজনা শুরু হবে ২০২৫ এর মে মাসে। এটি একটি অনন্য অ্যাডভেঞ্চার এবং স্লাইস-অফ-লাইফ প্রেম কাহিনী হিসেবে বর্ণিত, যা প্রধান চরিত্রগুলোকে একটি অন্য মাত্রায় নিয়ে যাবে। এছাড়াও জানা গেছে, সমীর বিদ্বান্স এই প্রকল্পের জন্য একটি নতুন কাহিনী তৈরি করেছেন এবং ইতিমধ্যেই বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্থানে লোকেশন স্কাউটিং করেছেন।