BRICS: জিনপিংয়ের উপস্থিতিতেই আফগানিস্তান নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ মোদী-পুতিনের

179

নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানে তালিবান (Taliban) সঙ্কটের মধ্যে অনুষ্ঠিত ১৩তম ব্রিকস সম্মেলন (BRICS)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) এই সম্মেলনে নেতৃত্ব দেন। ভার্চুয়াল মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন ব্রিকস গোষ্ঠীর রাষ্ট্র রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চিনের শি জিংপিং, ব্রাজিলের জায়ার বোলসোনারো এবং দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সাইরিল রামাফোস।

আরও পড়ুন বাইডেন সাক্ষাতে শীঘ্রই মার্কিন মুলুকে যাবেন মোদী

‘ব্রিকস’-এর এই ভার্চুয়াল শীর্ষবৈঠকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস মোবাবিলায় যৌথ উদ্যোগের প্রস্তাব সর্বসম্মত ভাবে গৃহীত হয়। কাবুলে তালিবান দখলদারির পর ‘ব্রিকস’-এর এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন মোদী। হিংসাত্মক পথ এড়িয়ে শান্তিপূর্ণভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের উপর জোর দিয়েছেন মোদী, রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনরা। সেইসঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই এবং মহিলা ও সংখ্যালঘু-সহ মানবাধিকার রক্ষার উপর বাড়তি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন বিপুল চিনা সাহায্য, তালিবান সরকারের চোখে আনন্দাশ্রু!

ভার্চুয়াল বৈঠকের আয়োজক দেশ হিসেবে সভাপতির ভূমিকা পালন করেন মোদী। গোয়ার সন্মেলনের পর এবার দ্বিতীয়বার ব্রিকসের নেতৃত্ব দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সন্মেলন শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত দেড় দশকে ব্রিকস অনেক সাফল্য পেয়েছে। এখন আমরা বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে সবচেয়ে প্রভাবিত একটি গোষ্ঠীর অংশ। গত দেড় বছরে অতিমারীর সময় আমরা অনেক বৈঠক করেছি। আমাদের এই সমন্বয় আরও বাড়াতে হবে।’

চিনের প্রধানমন্ত্রী জিনপিং উপস্থিত থাকলেও এই বৈঠকে স্বাভাবিক ভাবেই আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পুতিনই শুরুতে আফগানিস্তানের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। তিনি জানা, ব্রিকসের অন্তর্ভুক্ত কোনও দেশই চায় না যে প্রতিবেশীদের জন্য আফগানিস্তান সন্ত্রাসবাদ বিস্তার করুক বা মাদক পাচারের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠুক। মোদী বলেন, ‘‘আফগানিস্তানের পক্ষে তার প্রতিবেশীদের কাছে সন্ত্রাসের উৎস হয়ে ওঠা কাম্য হবে না।’’  উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে মাদক ব্যবসার এবং ভারত-সহ অন্যান্য দেশে তা সরবরাহ করার বিষয়েও।

মোদী টুইটারে লেখেন, ‘ব্রিকস-এর পঞ্চদশ বৈঠকের আয়োজক হিসেবে আমি খুশি। ভারতের সভাপতিত্বে ব্রিকস কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছে।’