আদালতের নির্দেশ মেনে ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন চন্দ্রনাথ

কলকাতা: বৃহস্পতিবার সকাল সকাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (ইডি)-র দফতরে হাজিরা দিলেন রাজ্যের কারা ও ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা৷ সময় মতোই সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছে যান তিনি। প্রাথমিকে ...

By Moumita Biswas

Published:

Updated:

Follow Us
Chandranath Sinha ED Interrogation

কলকাতা: বৃহস্পতিবার সকাল সকাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (ইডি)-র দফতরে হাজিরা দিলেন রাজ্যের কারা ও ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা৷ সময় মতোই সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছে যান তিনি। প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত মন্ত্রীর জামিন আদালত বহাল রাখলেও তাঁকে সশরীরে জিজ্ঞাসাবাদে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ 

সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছানোর সময় চন্দ্রনাথকে খালি হাতে দেখা যায়। সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপে তিনি বলেন, “আমি তদন্তে সহযোগিতা করব।” জানা গিয়েছে, আপাতত মন্ত্রী কোনো নথি সঙ্গে আনেননি, এবং ইডি-র পক্ষ থেকেও এখনও কোনো নথি চাওয়া হয়নি।

   

মামলার পটভূমি

চন্দ্রনাথ গত ৬ সেপ্টেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। এসময় ইডি তাঁকে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করেছিল। তবে আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করে, তবে কিছু শর্ত আরোপ করে। শর্ত অনুযায়ী, মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত মন্ত্রী নিজের বিধানসভা কেন্দ্র এবং কলকাতার বাইরে যেতে পারবেন না।

আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, আদালত নির্দিষ্ট করেছে যে, বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার মন্ত্রীর উপস্থিতিতে ইডি-র দফতরে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

মামলার তদন্তের প্রসঙ্গ Chandranath Sinha ED Interrogation

 

প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে, সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দুর্নীতি সংঘটিত হয়েছে। ইডি-র তদন্তের আওতায় মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ, প্রমাণাদি সংগ্রহ এবং নথি যাচাই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব

চন্দ্রনাথের হাজিরা এবং মামলার তদন্ত রাজনৈতিক মহল এবং জনসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এটি প্রকাশ করছে যে, প্রাথমিক শিক্ষার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা কতটা জরুরি, এবং এ ধরনের মামলা কতটা সংবেদনশীল রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্তরে।

এদিকে, মন্ত্রীর জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি ও ইডি-র কার্যক্রম নিশ্চিত করছে যে, প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে কেন্দ্রীয় সংস্থার নজরদারি এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

Moumita Biswas

দীর্ঘদিন ধরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত। হাতেখড়ি হয়েছিল ‘একদিন’ সংবাদপত্র থেকে। দেশ ও রাজ্য রাজনীতির পাশাপাশি নানা বিষয়ে বিশ্লেষণধর্মী লেখা করেন।

Follow on Google