মধ্যমগ্রাম: মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ায় শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডের জট খুলতে শুরু করল। ঘটনার তদন্তে নেমে তিনজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। প্রাথমিক জেরার পর পুলিশের দাবি, ধৃতরা সকলেই পেশাদার ‘সুপারি কিলার’ বা ভাড়াটে খুনি। তাদের জেরা করে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মূল ষড়যন্ত্রকারী বা ‘মাস্টারমাইন্ড’-এর হদিশ পাওয়ার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। (Chandranath Rath murder arrests)
বায়ুসেনার প্রাক্তন জওয়ান চন্দ্রনাথ বুধবার রাতে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বোর্ড লাগানো একটি সাদা স্করপিও গাড়িতে চড়ে কলকাতা থেকে মধ্যমগ্রামের ফ্ল্যাটে ফিরছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মাঝরাস্তায় বাইকআরোহী দুষ্কৃতীরা তাঁর গাড়ির গতি রোধ করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁকে লক্ষ্য করে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে আততায়ীরা। রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয় নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা চন্দ্রনাথকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
মধ্যমগ্রামে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব
ঘটনার খবর পাওয়ামাত্রই রাতেই মধ্যমগ্রামে পৌঁছে যান শুভেন্দু অধিকারী। প্রিয় সহকর্মীকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ শুভেন্দুর পাশাপাশি সেখানে পৌঁছন সুকান্ত মজুমদার, শমীক ভট্টাচার্য, অর্জুন সিং এবং অগ্নিমিত্রা পালের মতো বঙ্গ-বিজেপির একঝাঁক শীর্ষ নেতানেত্রী। শপথগ্রহণের মাত্র দু’দিন আগে এই হাই-প্রোফাইল খুনের ঘটনায় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।




















