Kolkata, April 22: ক্রীড়া জগতে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের সমস্যা আজকের নয়। টি-২০ বিশ্বকাপ ঘিরে সেরকমই একটি গড়াপেটার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সন্দেহের তালিকায় কানাডা ক্রিকেট দল। পাশাপাশি একটি কুখ্যাত অপরাধচক্রের সম্ভাব্য যোগ, যার কেন্দ্রে কানাডার অধিনায়ক দিলপ্রীত বাজওয়ার নাম উঠে আসছে।
প্রথম সন্দেহ দানা বাধে গ্রুপ পর্যায়ে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে। সেখানে একটি নির্দিষ্ট ওভারে অতিরিক্ত রান যায়। ঘটনাটি নজরে আসে আইসিসি কর্তাদের। বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইসিসির দুর্নীতি দমন শাখা। প্রাথমিক তদন্তে কানাডার অধিনায়ক দিলপ্রীত বাজওয়ার নাম উঠে আসলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। খতিয়ে দেখা হয় তাঁর মোবাইল ফোন।
জানা গিয়েছে, এই কুখ্যাত ঘটনায় লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং জড়িত থাকতে পারে। কানাডার এই গ্যাং সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে, কানাডা দলের কিছু ক্রিকেটারদের ও তাদের পরিবারকে হুমকি দেওয়া হতো বিশেষ কোনো খেলোয়াড়কে দলে রাখার জন্য।
সেকারণেই বিশ্বকাপের ঠিক আগে দিলপ্রীত বাজওয়ার দলের নেতৃত্বে চলে আসা নিয়ে সকলের মনে সংশয় হয়। তবে অভিযুক্তরা সব দাবি অস্বীকার করেছে। সম্পূর্ণ বিষয়টি এখনো প্রমাণসাপেক্ষ। তাই বর্তমানে এই নিয়ে তদন্ত করবে আইসিসির দুর্নীতি দমন শাখা। এই ঘটনার পর ক্রীড়া জগতে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
Kolkata, April 22: ক্রীড়া জগতে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের সমস্যা আজকের নয়। টি-২০ বিশ্বকাপ ঘিরে সেরকমই একটি গড়াপেটার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সন্দেহের তালিকায় কানাডা ক্রিকেট দল। পাশাপাশি একটি কুখ্যাত অপরাধচক্রের সম্ভাব্য যোগ, যার কেন্দ্রে কানাডার অধিনায়ক দিলপ্রীত বাজওয়ার নাম উঠে আসছে।
প্রথম সন্দেহ দানা বাধে গ্রুপ পর্যায়ে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে। সেখানে একটি নির্দিষ্ট ওভারে অতিরিক্ত রান যায়। ঘটনাটি নজরে আসে আইসিসি কর্তাদের। বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইসিসির দুর্নীতি দমন শাখা। প্রাথমিক তদন্তে কানাডার অধিনায়ক দিলপ্রীত বাজওয়ার নাম উঠে আসলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। খতিয়ে দেখা হয় তাঁর মোবাইল ফোন।
জানা গিয়েছে, এই কুখ্যাত ঘটনায় লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং জড়িত থাকতে পারে। কানাডার এই গ্যাং সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে, কানাডা দলের কিছু ক্রিকেটারদের ও তাদের পরিবারকে হুমকি দেওয়া হতো বিশেষ কোনো খেলোয়াড়কে দলে রাখার জন্য।
সেকারণেই বিশ্বকাপের ঠিক আগে দিলপ্রীত বাজওয়ার দলের নেতৃত্বে চলে আসা নিয়ে সকলের মনে সংশয় হয়। তবে অভিযুক্তরা সব দাবি অস্বীকার করেছে। সম্পূর্ণ বিষয়টি এখনো প্রমাণসাপেক্ষ। তাই বর্তমানে এই নিয়ে তদন্ত করবে আইসিসির দুর্নীতি দমন শাখা। এই ঘটনার পর ক্রীড়া জগতে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।




















