রাজ্যের বাজারে ধীরে ধীরে বড় আকারে ঢুকতে শুরু করেছে মরশুমের ইলিশ (Hilsa) । বর্ষার শুরুতেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপকূলীয় অঞ্চলগুলিতে ইলিশের জালে ধরা পড়ার হার বেড়েছে। তারই প্রভাবে বিপুল পরিমাণ ইলিশ এসে পৌঁছেছে ডায়মন্ড হারবারের নগেন্দ্রবাজারে। মাছের এই আগমনে একদিকে যেমন খুশি হয়েছেন ব্যবসায়ীরা, অন্যদিকে তেমনই উচ্ছ্বসিত সাধারণ ক্রেতারাও।
নামখানা, কাকদ্বীপ, রায়দিঘি সহ দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক মৎস্যঘাট (Hilsa) থেকে গত কয়েক দিনে প্রচুর পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়েছে বলে মৎস্যজীবী সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে। ধরা পড়া এই মাছের একটি বড় অংশই সরাসরি পৌঁছে যাচ্ছে ডায়মন্ড হারবারে, যা পরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রাথমিক হিসেব অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই বাজারে ১০০ টনেরও বেশি ইলিশ প্রবেশ করেছে।
ডায়মন্ড হারবারের নগেন্দ্রবাজার দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পাইকারি মাছের বাজার হিসেবে পরিচিত। এখান থেকেই কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলার বাজারে মাছের(Hilsa) সরবরাহ করা হয়। তাই এই বাজারে ইলিশের বড় আগমন মানেই রাজ্যের বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থায় সরাসরি প্রভাব পড়ে। এবারের মরশুমের শুরুতেই এত বিপুল পরিমাণ ইলিশ আসায় বাজারে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
মাছ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবারের মরশুমের শুরুটা তুলনামূলকভাবে ভালো। বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়ায় ক্রেতাদের মধ্যেও আগ্রহ বেড়েছে। যদিও সরবরাহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম কিছুটা ওঠানামা করছে, তবুও বড় আকারের ইলিশ পাওয়ায় ক্রেতাদের চাহিদা অব্যাহত রয়েছে।
ডায়মন্ড হারবার নগেন্দ্রবাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, “এবার মরশুমের শুরুতেই ভালো পরিমাণ ইলিশ এসেছে। সাধারণত বর্ষা শুরু হলে ধীরে ধীরে মাছ বাড়ে, কিন্তু এবার তুলনামূলকভাবে দ্রুতই বড় সাপ্লাই পাওয়া যাচ্ছে। বড় সাইজের ইলিশ আসায় ক্রেতারাও খুশি।”
মৎস্যজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি অলোক হালদার জানিয়েছেন, উপকূলীয় এলাকাগুলিতে জালে ইলিশ পড়ার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তাঁর কথায়, “নামখানা, কাকদ্বীপ, রায়দিঘি সহ একাধিক জায়গা থেকে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে। সেই মাছ দ্রুত ডায়মন্ড হারবারে আনা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ১০০ টনের বেশি ইলিশ বাজারে পৌঁছেছে। এত অল্প সময়ে এত পরিমাণ মাছ পাওয়ায় আমরা আশাবাদী।”



