মুদ্রাস্ফীতিতে জর্জরিত বাম-গেরুয়া রাজ্য! তালিকায় নেই বাংলা

নয়াদিল্লি: অর্থনীতিতে অভূতপূর্ব সাফল্য পেয়েছে ভারত। ইকোনোমিক সার্ভে (High inflation)অফ ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী ২০২৫-২৬ এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত খুচরো মুদ্রাস্ফীতি মাত্র ১.৭। গত বছর অক্টোবরে…

high-inflation-bjp-left-ruled-states-kerala

নয়াদিল্লি: অর্থনীতিতে অভূতপূর্ব সাফল্য পেয়েছে ভারত। ইকোনোমিক সার্ভে (High inflation)অফ ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী ২০২৫-২৬ এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত খুচরো মুদ্রাস্ফীতি মাত্র ১.৭। গত বছর অক্টোবরে এই রেকর্ড ছিল সবচেয়ে কম ০.২৫ কিন্তু ডিসেম্বরে বেড়ে হয়েছে ১.৩৩% । এই উন্নতির পাশাপাশি কিছু বাতিক্রম ও রয়েছে। কিছু রাজ্যের মুদ্রাস্ফীতির হার অনেক বেশি। এই তালিকায় সবার প্রথমে রয়েছে বাম শাসিত রাজ্য কেরল।

তাদের মুদ্রাস্ফীতির হার ৮.০৫%। তারপরেই রয়েছে লাক্ষাদ্বীপ ৬.৬৯% এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গোয়া। গোয়ায় মুদ্রাস্ফীতির পরিমান ৪.৭৭%। এর পরেই স্থান পেয়েছে জম্মু-কাশ্মীর। তাদের মুদ্রাস্ফীতির পরিমান ৩.৬০%। তালিকায় পাঁচ এবং ছয় নম্বরে রয়েছে পঞ্জাব এবং কর্ণাটক। পঞ্জাবে মুদ্রাস্ফীতির পরিমান ৩.২৭ এবং কর্নাটকে ৩.১৪%। সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে এই মুদ্রাস্ফীতির তালিকাতে বাংলার নাম নেই।

   

বিধানসভা ভোটে DMK-এর সঙ্গে জোট বাঁধল কংগ্রেস

বাংলায় এই মুহূর্তে মুদ্রাস্ফীতির পরিমান অনেক কম ১.২৭% মাত্র । তবে সমীক্ষায় উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী প্রথমে থাকা কেরলের সমস্যা হল এখানকার অর্থনৈতিক কাঠামো। অর্থাৎ মজুরি বৃদ্ধি এব্বং সার্ভিস সেক্টরের চাপ প্রধান এই মুদ্রাস্ফীতিতে প্রধান ভূমিকা নিয়েছে। এই প্রসঙ্গে অনেকে মজা করে বলেন, “মোদীজি মুদ্রাস্ফীতি বাড়িয়েছেন সার!” কিন্তু বাস্তব চিত্রটা উল্টো।

গত কয়েক বছরে জাতীয় মুদ্রাস্ফীতি ৬.৭ শতাংশ থেকে নেমে ১.৭-এ এসেছে এটা সরকারের সাপ্লাই-সাইড ম্যানেজমেন্ট, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মনিটারি পলিসির সাফল্য। রাজ্যভিত্তিক পার্থক্য থাকলেও, সামগ্রিকভাবে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্য যেখানে মুদ্রাস্ফীতি কম, সেখানে স্থানীয় নীতি এবং কেন্দ্রের সহায়তা দুটোই কাজ করেছে।

অর্থনীতির এই ছবি দেখে বলা যায়, জাতীয় স্তরে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে, যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়িয়েছে। কেরালার মতো ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারকে আরও সতর্ক হতে হবে। রাজনৈতিক তর্কের মধ্যে একটা সত্যি উঠে আসছে দাম নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্র-রাজ্যের সমন্বয় জরুরি। দেশ এগোচ্ছে নিম্ন মুদ্রাস্ফীতি আর স্থিতিশীল বৃদ্ধির পথে, আর সেটাই আসল খবর।