কলকাতা: বাংলায় সংবিধান কোথায়? এই প্রশ্ন বহুদিন ধরেই করে আসছে বঙ্গ বিজেপি (BJP)। বাংলায় কি শুধু মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নিজস্ব সংবিধান চলে তাও একাধিকবার প্রশ্ন করেছে বিরোধী শিবির। এবার এই একই প্রশ্ন করলেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। আজ কলকাতায় এসেছিলেন অখিলেশ যাদব। বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক ঘুটি সাজিয়ে নিলেন হয়তো কিছুটা।
কিন্তু তার জন্য যে জায়গাটি বেছে নিলেন তা কোনও দলীয় পার্টি অফিস নয়। তা হল সরকারি অফিস নবান্ন। এইখানেই সরব হয়েছেন বিরোধী শিবির এবং প্রশ্ন তুলেছেন যে সত্যি কি নবান্নের মত একটি সরকারি এবং সাংবিধানিক জায়গায় দলীয় বক্তব্য রাখা যায় ? অর্জুন সিং এই ইস্যুতে তার এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে রাজ্যপালকে উদ্দেশ্য করে ঠিক একই প্রশ্ন করেছেন যে দলীয় কাজকর্মের জন্য রাজনৈতিক মঞ্চ বা পার্টি অফিস ব্যবহার করা উচিত ছিল কিন্তু সেখানে দাঁড়িয়ে মমতা অখিলেশকে নিয়ে নবান্নেই দলীয় বৈঠক করলেন তার সঙ্গে করলেন সাংবাদিক বৈঠক।
বিশ্বকাপে নতুন নাটক! পাক বয়কটে কামব্যাক বাংলাদেশের?
বিজেপি তীব্র আক্রমণ শানিয়ে মন্তব্য করেছে যে নিজের রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যাবহার করছেন মমতা। আজ কলকাতা সফরে এসে সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব বলেন SIR শুরু হয়েছে বিজেপির অঙ্গুলি হেলনে এবং এই প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ প্রভাবিত করছে বিজেপি। শুধু মাত্র বাংলার মসনদের লোভে এবং ভোট কাটার জন্য এই SIR করে মানুষকে হয়রানির দিকে ঠেলে দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপি।
তবে নবান্নকে দলীয় কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা নিয়ে পাল্টা উত্তর দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের মতে বিজেপিও সংবিধান মানে না। তারাও নিজেদের ক্ষমতার অপব্যাবহার করে এবং তার প্রতিফলন হচ্ছে SIR এ। যেভাবে তৃণমূল সমর্থক এবং কর্মীদের বেছে বেছে ডাকা হচ্ছে তা অত্যন্ত নিন্দনীয় বলেই মতপ্রকাশ করেছে শাসক দল।
অন্যদিকে বিজেপিও পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেছে প্রথম থেকেই SIR নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে এবং তৃণমূলের জন্যই অনেক বুথ লেভেল অফিসার আত্মহত্যা করেছে এবং অনেকেই মারা গিয়েছে। তবে নবান্নকে দলীয় কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করায় রাজ্যপালের তরফ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসেনি। এখন দেখার বিষয় এই ব্যাপারে রাজ্যপাল কবে এবং কিভাবে তার প্রতিকৃয়া দেন।




















