ফের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কনভয় লক্ষ্য করে ‘চোর-চোর’ স্লোগান। তবে এবার আর গাড়ি থেকে নামেননি নন্দীগ্রামের বিধায়ক। দ্রুত এলাকা ছাড়ে শুভেন্দু কনভয়।
তমলুকের বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সমর্থনে আজ, মঙ্গলবার নন্দীগ্রামে জনসংযোগ যাত্রায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন শুভেন্দু। সামসাবাদে তাঁর উদ্দেশ্যে ‘চোর-চোর’ স্লোগান তোলেন তৃণমূল কর্মীরা। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, হাতি বাজারে চললে পেছনে অনেকেই চিৎকার করবে!
চলতি মাসে বাঁকুড়ার সিমলাপালেও ‘চোর-চোর’ স্লোগানের মুখে পড়েন শুভেন্দু। সিমলাপালে শুভেন্দুর কনভয় যাওয়ার সময় লাগোয়া এলাকায় সভা চলছিল তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের। সেই সভা থেকেই, শুভেন্দু অধিকারীকে গো-ব্যাক, ‘চোর-চোর’ স্লোগান দেওয়া হয়।
ক্রমাগত চোর স্লোগান শুনে মেজাজ হারান শুভেন্দু। গাড়ি থেকে নেমে তেড়ে যান তৃণমূলীদের দিকে। একই সঙ্গে পুলিশকেও ধমক দেন বিরোধী দলনেতা।
Abijit Ganguly: বড় ফাঁপড়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, প্রচারে ২৪ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা জারি নির্বাচন কমিশনের
পরে শুভেন্দু বলেন, সাহস থাকলে সামনে আয়। দেখিয়ে দেব আমি কী জিনিস। পুলিশ এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করছে বলেও অভিযোগ করেন শুভেন্দু। এই প্রথম নয়, এর আগেও বহুবার শুভেন্দুকে উদ্দেশ্য করে ‘চোর’ স্লোগান দিয়েছে তৃণমূল।
২৯ এপ্রিল নিজের খাসতালুক নন্দীগ্রামে ‘চোর-চোর’ স্লোগান শুনতে হয় তাঁকে। বিজেপি অভিযোগ করেছিল, প্রশাসনের সাহায্যে তৃণমূল এই কাজ করছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে রাজ্যের শাসকদল।
ওইদিন রাতে কেন্দামারির এক মনসা পুজোয় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সেই সময় তাঁর কনভয় ঘিরে ‘চোর, চোর-চোরটা শিশির বাবুর ছেলেটা’ স্লোগান ওঠে। এই প্রসঙ্গে কড়া প্রতিক্রিয়া দেন শুভেন্দু।
Summer Vacation End: ছুটি শেষ! গ্রীষ্মাবকাশের পর বাংলায় কবে থেকে খুলছে স্কুল?
বিরোধী দলনেতা বলেন, পুলিশকে সামনে রেখে পিছনে পাঁচটা লোক হুঁ-হাঁ করবে আর শুভেন্দু অধিকারী ভয় পেয়ে চলে যাবে, ও সব কারবার হবে না। ওদের পুলিশ ডেকে নিয়ে এসেছে। হাতি চলে বাজার, কুত্তা ভোঁকে হাজার।




















