কলকাতা: তৃণমূলের শহিদ বিকাশ বসু (Bikash Basu)। ২০০০ সালের পয়লা এপ্রিল তাঁকে গুলি করে খুন করা হয়। বুধবার তাঁকে সম্মান জানাতে বিভাজন দেখল ইছাপুর। বিকাশ বসুর পরিবারের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখল তৃণমূল। এর মাঝেই বিকাশ বসুর পাড়ায় ভোটের প্রচারে তৃণমূল।
ইছাপুরে নোয়াপাড়া থানার ফাঁড়ির সামনে খুন হন বিকাশ বসু। সেই জায়গায় তাঁর মূর্তি রয়েছে। প্রতি বছর পয়লা এপ্রিল ছোট অনুষ্ঠান করে তৃণমূল। এতদিন সেই অনুষ্ঠানের মধ্যমণি থাকতেন বিকাশ বসুর স্ত্রী তথা নোয়াপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক মঞ্জু বসু। সেই মঞ্জু বসু তৃণমূল ছাড়তেই বদলে গেল বিকাশ বসুকে সম্মানের ধরণ।
এদিন বিকাশ বসুর স্মরণের অনুষ্ঠানে জাঁকজমক আগের মতো ছিল না। সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ মাল্যদান করে চলে যান মঞ্জু বসু। তারপরেও ঘণ্টাখানেক সেই মূর্তির কাছেই ছিলেন মঞ্জু বসুর অনুগামীরা। দিন কয়েক আগেও তাঁরা তৃণমূলের কর্মী ছিলেন। এখন দল নাকি তাঁদের ব্রাত্য করেছে। সেই অর্থে বর্তমানে তৃণমূল বলে পরিচিতদের কেউ ওই মূর্তির কাছে ছিলেন না। এমন সময়েই সেই এলাকায় হাজির অর্জুন সিং। ইছাপুর গোয়ালাপাড়ায় অর্থাৎ বিকাশ বসুর পাড়ায় ভোটের প্রচার করেন বিজেপি প্রার্থী। সেই সময়েও বিকাশ বসুর মূর্তির কাছে দাঁড়িয়ে মঞ্জু বসুর অনুগামীরা।
বেলা ১১ টা নাগাদ বিকাশ বসুর মূর্তি চত্বরের দখল নেয় তৃণমূল। ব্যারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিক এবং তাঁর অনুগামীদের ভিড়। তৃণমূলের একঝাঁক কাউন্সিলর শ্রদ্ধা জানালেন শহিদ বিকাশ বসুকে। তবে বিকাশ নিয়ে বিভাজনটা খুব স্পষ্ট হয়ে গেল। এই আমরা-ওরার রাজনীতি করে কী এগোতে পারবে তৃণমূল!!!




















