বেতন ফেরত দিয়ে ‘ভুল’ করেছেন, স্বীকার করলেন বিহারের শিক্ষক

সম্প্রতি কলেজ প্রশাসনকে দুই বছর নয় মাসের বেতন বাবদ পাওয়া ২৩ লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে শিরোনামে উঠে এসেছিলেন বিহারের সহকারী অধ্যাপক লালন কুমার। লালন কুমার বাবাসাহেব ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us

সম্প্রতি কলেজ প্রশাসনকে দুই বছর নয় মাসের বেতন বাবদ পাওয়া ২৩ লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে শিরোনামে উঠে এসেছিলেন বিহারের সহকারী অধ্যাপক লালন কুমার।

লালন কুমার বাবাসাহেব ভীমরাও আম্বেদকর বিহার বিশ্ববিদ্যালয়ের নিতিশ্বর সিং কলেজে কর্মরত। বিহারের মুজফফরপুরে অধ্যাপক লালন কুমার তাঁর বেতন ফেরত দেওয়ার দাবি করে খবরের শিরোনামে এসেছিলেন। সবাই তার এই পদক্ষেপের প্রশংসা করতে শুরু করে কারণ তিনি দাবি করেছিলেন যে তিনি ক্লাসে উপস্থিত না হওয়ার জন্য কলেজ প্রশাসনের কাছে তার দুই বছরের বেতন ফিরিয়ে দিয়েছেন। অধ্যাপক লালন কুমারের দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে বেতন ছিল প্রায় ২৪ লক্ষ টাকা, যা তিনি ফেরত দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন। কিন্তু এখন সেই লালন কুমারই কলেজ প্রশাসনের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিজের ভুল স্বীকার করছেন।

   

মুজফফরপুরের নিতিশ্বর সিং কলেজের অধ্যাপক লালন কুমার এবার লিখিত ভাবে ক্ষমা চেয়েছেন। কলেজে পড়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলে ২৪ লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া ওই অধ্যাপক জানান, আবেগের বশবর্তী হয়ে তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছিলেন, কিন্তু এখন মনে হচ্ছে তিনি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অধ্যাপক লালন কুমার নিতিশ্বর কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ মনোজ কুমারের লিখিত ক্ষমা প্রার্থনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ডঃ আর কে ঠাকুরের কাছে প্রেরণ করেছেন। কলেজের অধ্যক্ষ এই ক্ষমাপ্রার্থনা রেজিস্ট্রারের হাতে তুলে দিয়েছেন।

এই ক্ষমাপ্রার্থনার বিষয়ে অধ্যক্ষ ডাঃ মনোজ কুমার বলেন যে তিনি কারও চাপে এটি করেননি, তবে তিনি বুঝতে পেরেছেন যে তিনি যা করেছেন তা ভুল। একই সঙ্গে অধ্যক্ষ জানান, তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত তাই দু’দিনের ছুটি নিয়েছেন। কলেজ পড়ুয়ারা জানান, অধ্যাপক ড. লালন কম ক্লাস নিতেন, তিনি এলেও ক্লাসে কম সময় দিতেন।

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google