
ধার: ইতিহাসের পাতায় যোগ হল এক নতুন অধ্যায় । (Bhojshala)মধ্যপ্রদেশের ধারে বহুপ্রতীক্ষিত ভোজশালা সরস্বতী মন্দিরে ৭০০ বছরেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো পূজা শুরু হয়েছে। এই ঘটনা হিন্দু সমাজে উৎসবের আমেজ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মালদায় আদিনাথ মন্দির নিয়ে আলোচনা নতুন করে জোরদার হয়েছে। অনেকে আশা প্রকাশ করছেন, একদিন আদিনাথ মন্দিরও তার আসল রূপ ফিরে পাবে।
After more than 700 years, the first Pooja at Bhojshala.
One day, the Adinath Temple of West Bengal will be reclaimed.
Islamic invaders destroyed some parts of the Adinath Temple and turned it into a mosque. #ReclaimAdinath pic.twitter.com/nLxTqqRWEW
— Hindu Voice (@HinduVoice_in) May 24, 2026
ভোজশালা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের সাম্প্রতিক রায়ের পর হিন্দু ভক্তরা সেখানে অবিরাম পূজা-আরতি শুরু করেছেন। রাজা ভোজের আমলে নির্মিত এই প্রাচীন সরস্বতী মন্দিরকে কেন্দ্র করে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে দখলদারি চলে আসছিল। আলাউদ্দিন খিলজির আমলে আক্রমণের পর এই স্থানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পরবর্তীকালে মসজিদের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয় বলে ঐতিহাসিক দাবি রয়েছে।
আরও দেখুনঃ ডোমকলের কুখ্যাত দুষ্কৃতী আজমতকে গ্রেফতার করতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ
৭০০ বছরের অপেক্ষার পর ফের মন্দিরে ঘণ্টা বাজছে, ধূপ-ধুনোর গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে এই দৃশ্য দেখে অনেক প্রবীণ হিন্দু ভক্ত আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন।এই ঘটনার প্রতিধ্বনি পৌঁছে গেছে পশ্চিমবঙ্গেও। মালদার পান্ডুয়ায় অবস্থিত আদিনা মসজিদকে অনেক ঐতিহাসিক ও স্থানীয় হিন্দু সংগঠন আদিনাথ মন্দির বলে দাবি করে আসছেন। তাঁদের মতে, ১৪শ শতাব্দীতে সুলতান সিকান্দর শাহ বাংলার সুলতানি আমলে এক প্রাচীন হিন্দু মন্দির ধ্বংস করে তার উপর এই মসজিদ নির্মাণ করেন।
মন্দিরের খোদাই করা পাথর, স্তম্ভ ও অন্যান্য স্থাপত্য উপাদান এখনও মসজিদের দেওয়ালে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়। ঐতিহাসিকদের মতে, এটি একসময় আদিনাথ (শিব বা বিষ্ণু) মন্দির ছিল, যা ধ্বংস করে ইসলামিক আক্রমণকারীরা মসজিদে রূপান্তরিত করেন।বিজেপি ও বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের কর্মীরা বলছেন, ইতিহাসের ভুল শুধরে নেওয়ার সময় এসেছে। আইনি পথে এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে এসব স্থান পুনরুদ্ধার করতে হবে।অন্যদিকে, এই দাবির বিরোধিতাও রয়েছে।
কেউ কেউ বলছেন, আদিনা মসজিদ একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য এবং এর চরিত্র পরিবর্তন করা উচিত নয়। কিন্তু যাঁরা পুনরুদ্ধারের কথা বলছেন, তাঁরা জোর দিয়ে বলেন যে, ধ্বংস করা মন্দিরের উপর নির্মিত স্থাপনাগুলোর ঐতিহাসিক সত্য সামনে আনা দরকার। ভোজশালার ঘটনা তাঁদের এই আশাকে আরও বেশি করে উস্কে দিয়েছে।













