সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের (UCL) কোয়ার্টার-ফাইনালের প্রথম লিগে মুখোমুখি হয়েছিল বায়ার্ন মিউনিখ-রিয়াল মাদ্রিদ। ঐতিহ্যশীল এই ইউরোপিয়ান ক্লাসিকোতে ১৪ বছর পর রিয়াল মাদ্রিদকে ২-১ ব্যবধানে হারাল এই জার্মান ক্লাব বায়ার্ন।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে নিয়ে মাঠে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করছিল বায়ার্ন। প্রথমার্ধের শেষের দিকে ৪১ মিনিটে লুইস দিয়াজের পা থেকে আসে ম্যাচের প্রথম গোল। বিরতির পরপরই ৪৮ মিনিটে ফের বায়ার্নের স্কোরবোর্ডে গোল যুক্ত হয়। মাইকেল অলিসের ব্যাক-পাস থেকে হ্যারি কেন শট মেরে গোল ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।
ভিনিসিয়ুস ও এমবাপের নিশ্চিত গোল নস্যাৎ করতে প্রাচীরের মতো দাঁড়িয়ে ছিলেন বায়ার্নের গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার। তবে দ্বিতীয়ার্ধের ৭৪ মিনিটে কিলিয়ান এমবাপে রিয়ালের হয়ে গোল করে ব্যবধান কিছুটা কমান। কিন্তু এরপর আর কোনো গোল আসেনি তাঁর সতীর্থদের থেকে। ফাইনাল স্কোর দাঁড়ায় ২-১। তাই ১ গোলের ব্যবধানে ম্যাচটি হেরে যায় রিয়ালরা।
বায়ার্ন গোলবারে রিয়ালরা মোট শট নেয় ৩১টি। তার মধ্যে টার্গেট ছিল ১০টি এবং নির্ধারিত গোল এসেছে মাত্র ১টি। উল্টোদিকে রিয়ালের গোলবারে বায়ার্ন শট নিয়েছে ২৩টি। যার মধ্যে লক্ষ্যে ছিল ৪টি এবং তার মধ্যেই ২টি গোল এসেছে। এদিন মাঠে ৫২ শতাংশ বল নিজের দখলে রেখেছিল বায়ার্ন এবং মাদ্রিদ নিজেদের দখলে বল রেখেছিল ৪৮ শতাংশ।
শেষবার ২০১১-১২ মরসুমে স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়েছিল বায়ার্ন মিউনিখ। তার ৯ ম্যাচ পর রিয়ালের বিপক্ষে এই অধরা জয় সেমিফাইনালের পথে এগিয়ে নিয়ে গেল ভিনসেন্ট কোম্পানির দলকে। আগামী সপ্তাহে মিউনিখে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।




















