Pegasus কেনা হয়েছিল, প্রবল চাপের কাছে নতি স্বীকার এফবিআই’র

প্রবল চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত ইজরায়েলের কাছ থেকে পেগাসাস (Pegasus) স্পাইওয়্যার কথা কেনার কথা স্বীকার করে নিল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই (FBI)। বেশ কিছুদিন আগেই পেগাসাস কেনার কথা ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Updated:

Follow Us
Pegasus case

প্রবল চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত ইজরায়েলের কাছ থেকে পেগাসাস (Pegasus) স্পাইওয়্যার কথা কেনার কথা স্বীকার করে নিল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই (FBI)। বেশ কিছুদিন আগেই পেগাসাস কেনার কথা ফাঁস হয়ে গিয়েছিল। এবার সেই বিষয়টি স্বীকার করে নিল এফবিআই। 

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে, পেগাসাস স্পাইওয়্যার কতটা কার্যকরী সেটা পরীক্ষা করে দেখার জন্যই পেগাসাস কেনা হয়েছিল। কারও ফোনে আড়িপাতার উদ্দেশ্য নিয়ে পেগাসাস স্পাইওয়্যার কেনা হয়নি। এফবিআইয়ের এই স্বীকারোক্তি প্রকাশ আসতেই আমেরিকা জুড়ে তীব্র হইচই শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে জনগণের করের টাকা দিয়ে শুধুমাত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর জন্য এফবিআই কেন পেগাসাস স্পাইওয়্যার কিনল।

   

বিষয়টি জানার পরই এফবিআইয়ের কড়া সমালোচনা করেছেন টরোন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম ডিরেক্টর রন ডেনবার্ট। তিনি বলছেন, শুধুমাত্র পরীক্ষা চালানোর জন্য জনগণের টাকা দিয়ে এফবিআই এমন একটি স্পাইওয়্যার কেন কিনল তা কোনওভাবেই বোধগম্য হচ্ছে না। সর্বোপরি এই স্পাইওয়্যার এমন একটা দেশ থেকে কেনা হয়েছে যাদের বিরুদ্ধে একাধিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার। আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ইজরায়েল নিশ্চিতভাবেই একটি ভয়ঙ্কর দেশ। এফবিআইয়ের এই কাজকে কোনওভাবেই সমর্থন করা যায় না।

তবে পেগাসাস স্পাইওয়্যার কবে কেনা হয়েছিল, এর জন্য কত খরচ হয়েছিল এ বিষয়ে অবশ্য এফবিআই কিছুই জানায়নি। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, এক বছরের চুক্তিতে পেগাসাস স্পাইওয়্যার কেনা হয়েছিল। এই চুক্তির বিনিময়ে ইজরায়েলের সংস্থাকে দেওয়া হয়েছিল ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই খবরটি দ্য গার্ডিয়ানেও প্রকাশ হয়েছে। তবে গার্ডিয়ানের দাবি এই চুক্তির বিনিময়ে ইজরায়েলের ওই সংস্থাকে ৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়া হয়েছে।

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google