সোশাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা! জোরালো দাবি বিরোধীদের

বুধবার থেকে শুরু হতে যাওয়া সংসদের বাজেট অধিবেশনের (Budget Session) আগে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত সর্বদলীয় বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা চেয়েছেন বিরোধী দলগুলো। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় আলোচনার বিষয় ...

By Subhasish Ghosh

Published:

Follow Us
all-party-meeting-social-media-restrictions-teens-india-during-budget-session

বুধবার থেকে শুরু হতে যাওয়া সংসদের বাজেট অধিবেশনের (Budget Session) আগে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত সর্বদলীয় বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা চেয়েছেন বিরোধী দলগুলো। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় আলোচনার বিষয় ছিল কিশোর-কিশোরীদের সোশাল মিডিয়া থেকে দূরে রাখার প্রস্তাব।

নবান্ন কি পার্টি অফিস? বাংলায় মমতার সংবিধান নিয়ে সরব বিজেপি

   

বিরোধী শিবিরের দাবি অনুযায়ী, সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের কারণে কিশোর-কিশোরীদের মানসিক ও সামাজিক জীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এই প্রেক্ষিতে তারা সংসদে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে আলোচনার দাবি জানিয়েছেন। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে বাজেট অধিবেশনে আলাদা কোনও আলোচনা হবে না।

এছাড়াও বৈঠকে উঠে ভিবি-জিরামজি প্রকল্পের নাম পরিবর্তন, ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন, আমেরিকার শুল্ক আরোপ, বায়ু দূষণ এবং দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করার দাবি। বিশেষ করে ভিবি-জিরামজি প্রকল্প থেকে মহাত্মা গান্ধির নাম মুছে ফেলার ঘটনায় বিরোধীরা পুনরায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তবে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, “সরকার কোনো বিষয়ে পিছনে তাকাতে রাজি নয়।”

কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জয়রাম রমেশসহ বিরোধী শিবিরের অন্যান্য সাংসদরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। তারা সোশাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ, ভিবি-জিরামজি প্রকল্প এবং অন্যান্য সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে আলাদা আলাপের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

সরকারি তরফ থেকে বলা হয়েছে, “যদি কোনও আইন পাশ হয়, তা মেনে চলাই দস্তুর। অতীত নিয়ে পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন নেই।” তবে ভোটার তালিকা সংশোধন ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা সম্ভব হবে রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর।

গত অধিবেশনে বিরোধী শিবিরের সাংসদরা ক্রমাগত হৈ-হট্টগোলের অভিযোগে দেশজুড়ে আলোচিত হয়েছিলেন। এবার সংসদীয় মন্ত্রীরা তাদের অনুরোধ করেছেন, সংসদে সংযম ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেয়ার জন্য। মন্ত্রীরা জানিয়েছেন, “আমরা মানুষের হয়ে কথা বলার জন্য নির্বাচিত। কিন্তু অন্যের কথা শোনার অভ্যাসও জরুরি।”

Subhasish Ghosh

[email protected]

Follow on Google