নয়াদিল্লি: ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে সেই অভিশপ্ত রাতের স্মৃতি ফিরিয়ে ২০২৬-এ৷ দিল্লির রানিবাগ এলাকায় চলন্ত বেসরকারি বাসের মধ্যে ধর্ষিত হলেন এক তরুণী৷ এই নৃশংস ঘটনাকে কেন্দ্র করে তোলপার দিল্লি৷ এই অভিযোগে ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট বাসের চালক ও কন্ডাক্টরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ঘটনার নৃশংসতা
তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সোমবার রাতে কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে রানিবাগের সরস্বতী বিহার বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি বেসরকারি বাসে উঠেছিলেন ওই তরুণী। অভিযোগ, বাসে ওঠার পরেই চালক ও কন্ডাক্টর তাঁকে জোরপূর্বক বাসের ভিতর আটকে ফেলে এবং সারারাত ধরে চলে অমানবিক শারীরিক নির্যাতন। ভোরের আলো ফোটার আগে অভিযুক্তরা নিগৃহীতাকে রাস্তার ধারে ফেলে দিয়ে চম্পট দেয়। পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতা তরুণী বিবাহিতা এবং তাঁর তিন সন্তান রয়েছে।
পুলিশি পদক্ষেপ
নির্যাতিতার বয়ানের ভিত্তিতে পুলিশ তড়িঘড়ি অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত দুই কর্মীকে পাকড়াও করেছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে সেই বাসটিও। দিল্লি পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, পুরো ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ঘটনার সময় বাসে আর কেউ ছিল কি না তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে কঠোর ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাঁদের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া চলছে।
সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন
নির্ভয়া-কাণ্ডের পর কড়া আইন এবং প্রশাসনের একাধিক বারুদ-গর্জন সত্ত্বেও চলন্ত বাসে এই ধরনের অপরাধের পুনরাবৃত্তি রাজধানীর নারী নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিয়েছে। ঘটনার পর থেকে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন নির্যাতিতা, বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা ও কাউন্সেলিং চলছে।




















