Gaza City: অবরুদ্ধ গাজা শহরে জতুগৃহ, পুড়ে মৃত শিশুরা

ইজরায়েল (isreal)  সরকারের সেনা ঘেরাটোপে দশকের পর দশক কয়েছে প্যালেস্টাইনের (palestine) একটি অংশ (Gaza City) গাজা শহর। এটি দুনিয়ার সর্বাধিক অবরুদ্ধ জনগণের ভূখণ্ড হিসেবে পরিচিত। ভয়াবহ পরিস্থিতি। অবরুদ্ধ ...

By Rana Das

Published:

Follow Us

ইজরায়েল (isreal)  সরকারের সেনা ঘেরাটোপে দশকের পর দশক কয়েছে প্যালেস্টাইনের (palestine) একটি অংশ (Gaza City) গাজা শহর। এটি দুনিয়ার সর্বাধিক অবরুদ্ধ জনগণের ভূখণ্ড হিসেবে পরিচিত।

ভয়াবহ পরিস্থিতি। অবরুদ্ধ গাজা উপত্যাকায় একটি শরণার্থী শিবিরে অগ্নিকাণ্ডের জেরে পুড়ে মারা গেলেন কমপক্ষে ২১ জন। নিহতদের মধ্যে ১০ জনই শিশু।

   

BBC জানাচ্ছে, তীব্র আগুন ঝলসে কাঠ হয়ে গেছে দেহগুলি। ওই শরণার্থী শিবিরে ঠিক কতজন পুড়ে মৃত তা ষ্পষ্ট নয়।

Jerusalem Post জানাচ্ছে, গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের পরিস্থিতি খুবই খারাপ। স্খানীয় একটি হাসপাতালের পরিচালক ডা. সালাহ আবু লায়লা জানিয়েছেন, শরণার্থী শিবিরের একটি ভবনে আগুন ধরে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তবে জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের এই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

Al Jazeera জানাচ্ছে, গাজার এই জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরটি অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ। সেখানেই একটি ভবনের রান্নার গ্যাস থেকে আগুন ছড়ায়। কয়েক মুহূর্তে সেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ভিতরে আটকে পড়েন অনেকে। দমকল বিভাগ এসে আগুন নেভানোর পর ওই ভবন থেকে সারি সারি পোড়া দেহ বের করা হয়। কমপক্ষে দশ শিশু পুড়ে মৃত।

গাজার শরণার্থী শিবিরের অগ্নিকাণ্ডের পর শোকাচ্ছন্ন প্যালেস্টাইন। ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস জানিয়েছেন, এই অগ্নিকাণ্ড জাতীয় শোক। শুক্রবার একদিনের শোক দিবস পালনের কথা ঘোষণা করেছেন তিনি।

UN (রাষ্ট্রসংঘ) মতে, গাজা শহরে কমপক্ষে ৬ লক্ষ ফিলিস্তিনি শরণার্থী থাকেন। ছোট্ট এই ভূখণ্ডের আটটি অতি ঘণবসতিপূর্ণ শিবির আছে। সেই হিসেবে গড়ে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৫ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি জন থাকেন।

গাজা শহর ইজরায়েলের প্রতিপক্ষ হামাস গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে। এই সশস্ত্র হামাস গোষ্ঠিকে জঙ্গি সংগঠন বলে চিহ্নিত করে ইজরায়েল সহ বিভিন্ন দেশ।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Rana Das

Rana Das pioneered Bengali digital journalism by launching eKolkata24.com in 2013, which later transformed into Kolkata24x7. He leads the editorial team with vast experience from Bartaman Patrika, Ekdin, ABP Ananda, Uttarbanga Sambad, and Kolkata TV, ensuring every report upholds accuracy, fairness, and neutrality.

Follow on Google