নোংরা খেলায় মেতেছে পাকিস্তানি ডিপ স্টেট! POK থেকে নজর সরাতে এবার টার্গেটে অমরনাথ

শ্রীনগর: এবারের অমরনাথ যাত্রা ছিল সত্যিকারের বিজয়ের গল্প। (Amarnath Yatra)৩ জুলাই থেকে শুরু হয়ে এখনও চলছে এই পবিত্র যাত্রা। ইতিমধ্যে চার লক্ষ ৩৫ হাজারেরও বেশি…

pakistan-targets-amarnath-yatra

শ্রীনগর: এবারের অমরনাথ যাত্রা ছিল সত্যিকারের বিজয়ের গল্প। (Amarnath Yatra)৩ জুলাই থেকে শুরু হয়ে এখনও চলছে এই পবিত্র যাত্রা। ইতিমধ্যে চার লক্ষ ৩৫ হাজারেরও বেশি ভক্ত অমরনাথের দর্শন করে ফিরেছেন। কড়া নিরাপত্তা, আবহাওয়ার চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও যাত্রা মসৃণভাবে চলছে। ভক্তদের মুখে হাসি, প্রশাসনের প্রশংসা কাশ্মীরের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ছবি ফুটে উঠছে এতে।

কিন্তু এই সাফল্যই যেন পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও আইএসআইয়ের চোখে বিঁধেছে।পাক অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে (POJK) গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলছে তীব্র অস্থিরতা। মুজাফফরাবাদ, রাওয়ালকোট, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নেমেছেন।

Advertisements

আরও দেখুনঃ ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা, বহুমুখী নজরদারি: অনুদান ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন রাম মন্দির ট্রাস্টের

মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুৎ সংকট, নির্বাচনী কারচুপি এবং পাক সেনার দমনমূলক আচরণের বিরুদ্ধে তাদের ক্ষোভ। জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (JAAC)সহ বিভিন্ন সংগঠনের দাবি, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে কয়েক ডজন নিরস্ত্র বিক্ষোভকারী প্রাণ হারিয়েছেন।

হাসপাতাল নিয়ন্ত্রণ, যোগাযোগ বন্ধ পুরো এলাকায় এক ভয়ের আবহ। এই অভ্যন্তরীণ সংকট থেকে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় দৃষ্টি সরাতে পাকিস্তানের ‘ডিপ স্টেট’ আবার চিরাচরিত কৌশলে ফিরেছে।কাশ্মীর উপত্যকায় বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা বাড়ছে। প্রথমে ২২ জুলাই দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগের লাল চৌক এলাকায়।

আরও দেখুনঃ অগাস্টের শুরুতেই সস্তা হল LPG, কলকাতায় কত হল দাম?

অমরনাথ যাত্রার নিরাপত্তায় নিয়োজিত জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের হেড কনস্টেবল আশিক হুসেইন কুরেশিকে দিনের আলোয় গুলি করে হত্যা করা হয়। একা একজন আততায়ী পিছন থেকে এসে কাজ সেরে পালিয়ে যায়। এরপর ৩১ জুলাই কুলগামের কেলাম এলাকায় এক ইটভাটায় হামলা। ছত্তিশগড়ের দুই শ্রমিককে নাম জিজ্ঞাসা করে আলাদা করে গুলি করা হয়। একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান, অন্যজন হাসপাতালে মারা যান।

এটি ছিল দীর্ঘ ২১ মাস পর অভিবাসী শ্রমিকদের ওপর প্রাণঘাতী হামলা।এই হামলাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এগুলো পুরনো খেলার নতুন অধ্যায়। পাকিস্তানি মদদপুষ্ট জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো বিশেষ করে লস্কর-ই-তৈবার ছায়া সংগঠন ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (TRF) এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।

আরও দেখুনঃ আদিবাসীদের জোর জবরদস্তি ধর্মান্তকরণ করলেই জেলে পাঠাব! হুঁশিয়ারি ডবল ইঞ্জিন মুখ্যমন্ত্রীর

লক্ষ্য স্পষ্ট: নিরস্ত্র পুলিশ সদস্য, বাইরের রাজ্য থেকে আসা হিন্দু শ্রমিক এবং উপত্যকার সংখ্যালঘু কাশ্মীরি হিন্দু সম্প্রদায়। যারা অস্ত্র হাতে লড়ে না, যাদের নিরাপত্তা তুলনামূলকভাবে কম, তাদেরকেই নির্বাচিত করা হচ্ছে। উদ্দেশ্য একটাই ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক ছড়ানো, যাত্রার সাফল্যকে ম্লান করা এবং পিওজেকে-র বাস্তবতা থেকে দৃষ্টি সরানো।