নয়াদিল্লি: আন্দোলন তুলে নিতেই মিথ্যে মামলায় জড়াচ্ছে মোদী সরকার। (Kapil Sibal)এই অভিযোগেই এবার কপিল সিব্বালের দ্বারস্থ আরশোলা বাহিনী। ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র সৌরভ দাস বর্ষীয়ান আইনজীবী ও স্বতন্ত্র রাজ্যসভা সাংসদ কপিল সিব্বালের সঙ্গে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় তাঁরা আশঙ্কা করেছিলেন যে, আন্দোলনের গতি কমে গেলে সরকার ব্যক্তিগতভাবে ছাত্রদের টার্গেট করতে পারে।
সৌরভ দাস জানান, “আমরা কপিল সিব্বালের সঙ্গে সারাক্ষণ যোগাযোগ রেখেছিলাম এবং আইনি পরামর্শ নিয়েছিলাম। ২৫ তারিখে যখন আমরা প্রতিবাদ প্রত্যাহার করি, তখন আমাদের মনে হয়েছিল যে আন্দোলনের মোমেন্টাম কমে গেলে সরকার ব্যক্তিগতভাবে লোকজনকে টার্গেট করতে পারে। এটি একটি বাস্তবসম্মত আশঙ্কা, কারণ অন্যান্য বড় আন্দোলনেও একই ধরনের কৌশল দেখা গেছে যেখানে ব্যক্তিদের আলাদা করে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে।”
আরও দেখুনঃ দেশ ভাগ করা শারজিল-উমার খালিদের মুক্তি চাই! গোয়ায় পোস্টার হাতে গ্রেফতার মহম্মদ দানিশ
তিনি আরও বলেন, আন্দোলনের প্রথম দিন থেকেই সব ছাত্র-ছাত্রীদের আইনি ও চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আইনজীবীদের সঙ্গে সমন্বয় করে তাঁদের সহায়তা নিশ্চিত করা হয়েছে। কপিল সিব্বালের মতো অভিজ্ঞ আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখায় আন্দোলনকারীরা আইনি লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি জানান।সাংবাদিক সম্মেলনে কপিল সিব্বাল বলেন, ছাত্রদের বৈধ দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে তিনি আইনি সহায়তা দিয়ে যাবেন।
তিনি উল্লেখ করেন যে, গণতান্ত্রিক দেশে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার অধিকার সবার আছে। কিন্তু প্রতিবাদ শেষ হওয়ার পর কোনো ছাত্র যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেদিকে সরকারের নজর দেওয়া উচিত। সিব্বালের অভিজ্ঞতা ও আইনি দক্ষতা এই মুহূর্তে ছাত্রদের জন্য বড় সুরক্ষা বলে মনে করছে আরশোলা বাহিনী।
আরও দেখুনঃ দিল্লি দাঙ্গায় নিহত IB অফিসার অঙ্কিতের হত্যাকারী তাহির হুসেনের ফাঁসির দাবিতে দিল্লি পুলিশ




