‘ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ কেবল শুরু মাত্র’: হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে বললেন সোনম

নয়াদিল্লি: শিক্ষা ব্যবস্থার সংকট ও নিট-ইউজি (NEET-UG ২০২৬) পেপার লিক কাণ্ড নিয়ে দীর্ঘ ২৬ দিন অনশন ও প্রতিবাদের পর অবশেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে সোজা রাজঘাটে…

sonam

নয়াদিল্লি: শিক্ষা ব্যবস্থার সংকট ও নিট-ইউজি (NEET-UG ২০২৬) পেপার লিক কাণ্ড নিয়ে দীর্ঘ ২৬ দিন অনশন ও প্রতিবাদের পর অবশেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে সোজা রাজঘাটে গিয়ে মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানালেন বিশিষ্ট পরিবেশকর্মী ও সমাজসংস্কারক সোনম ওয়াংচুক। সোমবার রাজঘাটে দাঁড়িয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ কেবল একটি ‘শুরু মাত্র’। শিক্ষা ব্যবস্থার মূল সমস্যাগুলির সঠিক সমাধান করা হলে দেশ অনেক বেশি উন্নত হবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন তিনি।

গুরুগ্রামের মেদান্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর স্ত্রী গীতাঞ্জলি অঙ্গমোকে সঙ্গে নিয়ে সোজা রাজঘাটে পৌঁছান ওয়াংচুক। জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, মহাত্মা গান্ধীর দেখানো অহিংসার পথ আজও একশো বছর আগের মতোই প্রাসঙ্গিক।

Advertisements

সোনম ওয়াংচুকের বক্তব্যের মূল দিকগুলি

পদত্যাগ নিয়ে মন্তব্য: ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ প্রসঙ্গে ওয়াংচুক বলেন, “এই পদত্যাগ কেবল শুরু মাত্র। যদি এখান থেকেই সমস্যাগুলি স্বীকার করে তার সঠিক সমাধান করা হয়, তবে আমাদের দেশ একটি সুন্দর জায়গায় পরিণত হবে। এই প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে বলে আমার বিশ্বাস।”

শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের অধিকার: শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো রকম দমনপীড়ন বা আইনি পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আর্জি জানান তিনি। ওয়াংচুক স্পষ্ট করে দেন, “শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ আমাদের সাংবিধানিক অধিকার এবং এর প্রতি সম্মান জানানো উচিত। বাকি ক্ষেত্রে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।”

গান্ধীনীতির প্রাসঙ্গিকতা

নিজের ২৬ দিনের অনশন আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা গত ৫-৬ বছর ধরে লাদাখে গান্ধীর পথ অনুসরণ করে আসছি। এ যাত্রায় জাতীয় স্তরেও যে এই অহিংস পদ্ধতি সমানভাবে কার্যকর, তা দেখে আমি আশ্বস্ত হয়েছি। লাঠিসোঁটা বা শক্তির জোরে নয়, মানুষের শান্তিপ্রিয় আবেদন এবং নিজেদের কষ্ট সহ্য করার মধ্য দিয়েই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে।”

দেশবাসীর প্রতি বার্তা দিয়ে তিনি জানান, যেকোনো দাবি বা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ যেন হিংসার পথে না গিয়ে বাপুর দেখানো শান্তির পথেই হয়। সমাধান পেতে সময় লাগলেও তা কখনোই অন্ধকারে শেষ হয় না বলে মন্তব্য করেন এই সমাজকর্মী।

বাড়ি সংক্রান্ত নথি তলব! আজই পুরসভার দফতরে যেতে পারেন অভিষেকের বাবা

জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,