মুম্বই: NEET প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর শুরু হয়েছিল ছাত্র আন্দোলন। ককরোচ জনতা পার্টি (Nitin Gadkari)এবং ছাত্রদের নজরে সেইসময় ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। আন্দোলনের চাপে শেষপর্যন্ত পদত্যাগ করতে বাধ্য হন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এবার বিদ্রোহী রাডারে মন্ত্রী নীতিন গড়করি। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়করি এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন।
বোম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন গড়করি। মন্ত্রী দাবি করেছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে ই২০ ইথানল ব্লেন্ডিং প্রোগ্রাম থেকে অসাধু লাভের সঙ্গে জড়িয়ে গভীর জালিয়াতি (ডিপফেক) ছবি, ভিডিও ও পোস্ট ছড়ানো হচ্ছে।নিতিন গড়করির দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই ধরনের পোস্টগুলি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মানহানিকর।
আরও দেখুনঃ বিহার বনধে ধুন্ধুমার: বিক্ষোভের মাঝে একে-৪৭ দিয়ে গুলি, সাসপেন্ড পুলিশ আধিকারিক
তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইথানল ব্লেন্ডিং নীতি পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের অধীনে পরিচালিত হয়। সড়ক পরিবহন মন্ত্রকের এতে কোনো প্রশাসনিক ভূমিকা নেই। তারপরও তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বোম্বে হাইকোর্ট মন্ত্রীর আবেদন মঞ্জুর করে মেটা (ফেসবুকের মালিক), অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সিভিল মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে।
এই মামলায় গড়করি শুধু নিজের সম্মান রক্ষা করতে চাননি, পরিবারের সদস্যদেরও অপ্রয়োজনীয় হয়রানি থেকে বাঁচাতে চেয়েছেন। আদালতে দাখিল করা নথিতে বলা হয়েছে, কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী ইচ্ছাকৃতভাবে ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া ছবি ও ভিডিও তৈরি করছে, যা ভাইরাল হয়ে সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
আরও দেখুনঃ সংসদে ঢুকতেই ধর্মেন্দ্রকে চোর স্লোগান! পাল্টা অভ্যর্থনা বিজেপির
এতে মন্ত্রীর রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।ই২০ প্রোগ্রামটি ভারত সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এর লক্ষ্য হল পেট্রোলে ২০ শতাংশ ইথানল মিশিয়ে আমদানি নির্ভরতা কমানো, কৃষকদের আয় বাড়ানো এবং পরিবেশ দূষণ কমানো। এই প্রকল্পের আওতায় চিনি কল, ইথানল উৎপাদনকারী কোম্পানি ও কৃষকরা উপকৃত হচ্ছেন।





