বৈভব সূর্যবংশীর (Vaibhav Sooryavanshi) ঝড়ে হারারেতে উড়ে গেল জিম্বাবোয়ে। আয়োজকদের দেওয়া ১২৬ রানের লক্ষ্যমাত্রা ৪০ বল বাকি থাকতেই খুব সহজে তুলে ফেলল ভারত।
প্রথমে ব্যাট করে জিম্বাবোয়ে খুব বড় রান করতে পারেনি। তারা ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১২৫ রান তোলে। ফলে ভারতের জয়ের জন্য দরকার ছিল ১২৬ রান। আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এই রান তাড়া করা খুব একটা কঠিন কাজ নয়। রান তাড়া করতে নেমে ভারতের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি। ওপেনার অভিষেক শর্মা মাত্র ১ রান করে আউট হয়ে যান। তখন জিম্বাবোয়ে হয়তো একটু লড়াই করার স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবোয়ের সব আশা শেষ করে দেন তরুণ ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশী।
দলবদলের বাজারে বড় চমক! ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে পুরনো ডেরা ওড়িশাতে নন্দকুমার
মাঠে নেমেই তিনি রীতিমতো চার ছয়ের বন্যা বইয়ে দেন। জিম্বাবোয়ের বোলাররা বুঝতেই পারছিলেন না তাঁকে কীভাবে আটকাবেন। মাত্র ১৯ বল খেলে নিজের হাফ-সেঞ্চুরি (৫০ রান) পূর্ণ করেন বৈভব। তাঁর এই মারকাটারি ইনিংসে ছিল ৪টি চার এবং ৪টি বিশাল ছয়।
বৈভবের এই ব্যাটিং ঝড়ের পর ভারতের জয় ছিল শুধুই সময়ের অপেক্ষা। উল্টোদিকে থাকা ঈশান কিষাণ ২৪ বলে ৩৫ রান করে দলকে ভরসা দেন। এরপর অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার (২৪ বলে অপরাজিত ২৮ রান) অত্যন্ত সহজে বাকি রান তুলে নেন। জিম্বাবোয়ের বোলার ব্লেসিং মুজারাবানি ২টি উইকেট পেলেও তা ভারতের জয় আটকানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত মাত্র ১৩.২ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে সহজেই ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।
হাসপাতালে পরিণত টিম ইন্ডিয়া! বড় তদন্তে নামছে BCCI
তবে এই দাপুটে জয়ের মূল প্রেক্ষাপট কিন্তু তৈরি করে দিয়েছিলেন বোলাররাই। টস জিতে এদিন প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় অধিনায়ক শ্রেয়স। তাঁর সেই সিদ্ধান্তের পূর্ণ মর্যাদা দেন মায়াঙ্ক যাদব এবং প্রিন্স যাদবরা। ভারতীয় পেসারদের নিখুঁত লাইন লেংথ এবং গতির সামনে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১২৫ রানেই আটকে যায় জিম্বাবোয়ে।





