নয়াদিল্লি: এবার ডাইরেক্ট অ্যাকশন নিল সুপ্রিম কোর্টও। (Delhi Police)সুপ্রিম কোর্ট বুধবার সিজেপি (ককরোচ জনতা পার্টি)-এর সংসদ অভিযানের সময় দিল্লি পুলিশের নেওয়া পদক্ষেপের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে। প্রধান বিচারপতি স্পষ্টভাষায় বলেছেন, “আমাদের সময় নষ্ট করবেন না।”
অন্যদিকে দিল্লি হাইকোর্ট অবশ্য পুলিশের ‘অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের’ অভিযোগে দায়ের করা একটি পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশন (পিআইএল) জরুরি ভিত্তিতে শুনানির জন্য গ্রহণ করেছে।সিজেপি-এর ‘চলো সংসদ’ মার্চের সময় যন্তরমন্তর এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বড় ধরনের সংঘর্ষ হয়। পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে জনতা ছত্রভঙ্গ করে। প্রতিবাদকারীরা দাবি করেন, পুলিশ অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করেছে এবং অনেক ছাত্র-যুবক আহত হয়েছেন।
আরও দেখুনঃ কাকলির পর মিতালীর অভিযোগে বাদল অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড কল্যাণ
কিন্তু পুলিশের তরফে বলা হয়েছে, প্রতিবাদকারীরা অনুমতি ছাড়াই সংসদের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করায় এবং পুলিশের ওপর হামলা চালানোয় বাধ্য হয়ে ব্যবস্থা নিতে হয়েছে। এমনকি তলোয়ার হাতে নিহঙ্গদের উপস্থিতি ও হত্যার হুমকির মতো ঘটনাও সামনে এসেছে।সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির কড়া মন্তব্য আদালতের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট করে দিয়েছে।
আদালত মনে করছে, প্রত্যেকটা ছোটখাটো প্রতিবাদী ঘটনাকে নিয়ে আদালতে ছোটা উচিত নয়। বিশেষ করে যখন পুলিশের ওপর হামলা ও অরাজকতার অভিযোগ রয়েছে, তখন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করার আগে ঘটনার পুরো প্রেক্ষাপট দেখা দরকার। প্রধান বিচারপতির “ডোন্ট ওয়েস্ট আওয়ার টাইম” মন্তব্যটি আদালতের সময়ের মূল্যায়নের প্রতীক হয়ে উঠেছে।
আরও দেখুনঃ ‘জট কাটার’ আশা! সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে বৈঠকের পর আজ ফের আলোচনায় কেন্দ্র
আইনজীবী ও নাগরিক সমাজের একাংশ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, আদালতকে রাজনৈতিক বা প্রতিবাদী এজেন্ডার হাতিয়ারে পরিণত করা উচিত নয়।অন্যদিকে দিল্লি হাইকোর্টের পিআইএল গ্রহণ করার সিদ্ধান্তও গুরুত্বপূর্ণ।
হাইকোর্ট বলেছে, বলপ্রয়োগের অভিযোগগুলো গুরুতর এবং তা খতিয়ে দেখা দরকার। এতে প্রতিবাদকারীদের আহত হওয়ার ছবি, ভিডিও ও চিকিৎসার প্রমাণ আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। আইনজীবীরা যুক্তি দিয়েছেন, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার গণতন্ত্রের মৌলিক অংশ, কিন্তু তার মানে এই নয় যে পুলিশ নির্বিচারে যেকোনো বল প্রয়োগ করতে পারবে।





