স্বামীকে খুন করতে কেনা হয়েছিল বিষাক্ত সাপ! অবৈধ সম্পর্কের জেরে ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র স্ত্রীর

লখনউ: উত্তরপ্রদেশের একটি শান্ত গ্রামে ঘটে গিয়েছে ভয়ংকর এক খুনের ঘটনা। (snake murder)পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে একটি স্কুলের মালিক অতুল পানওয়ারকে তাঁর স্ত্রী দামিনী নাকি…

up-snake-murder-case

লখনউ: উত্তরপ্রদেশের একটি শান্ত গ্রামে ঘটে গিয়েছে ভয়ংকর এক খুনের ঘটনা। (snake murder)পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে একটি স্কুলের মালিক অতুল পানওয়ারকে তাঁর স্ত্রী দামিনী নাকি প্রেমিকের সাহায্যে বিষাক্ত সাপ দিয়ে হত্যা করিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, দামিনী তাঁর প্রেমিককে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে একটি কালাচ সাপ কিনে এনেছিলেন।

সেই সাপকে তিন দিন না খাইয়ে রেখে ক্ষুধার্ত করে তারপর অতুলের বিছানায় ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দুধ খাইয়ে তাঁকে অচেতন করে রাখা হয়েছিল। সাপের কামড়ে অতুলের মৃত্যু হয়।পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে এক ঠান্ডা মাথার, নৃশংস ষড়যন্ত্রের কাহিনি। দামিনী নাকি দীর্ঘদিন ধরে তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন।

আরও দেখুনঃ ২০২৭ অর্থবছরেই এক লাখ কোটি টাকা ছাড়াতে পারে এলপিজি সাবসিডির বোঝা

স্বামীকে সরিয়ে দিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। সাধারণ খুনের চেয়ে এই পদ্ধতি বেছে নেওয়া হয়েছিল যাতে কেউ সন্দেহ না করে। সাপের কামড়কে দুর্ঘটনা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু পুলিশের তদন্তে সবকিছু বেরিয়ে পড়েছে।অতুল পানওয়ার স্থানীয় একটি স্কুল চালাতেন। পরিবারের মধ্যে তিনি সবার কাছে প্রিয় ছিলেন। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে।

প্রতিবেশীরা বলছেন, “অতুল খুব ভাল মানুষ ছিলেন। কখনো ভাবতে পারিনি এমন ঘটনা ঘটবে।” দামিনীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভালোই ছিল বলে সবাই জানত। কিন্তু চার দেওয়ালের অন্দরে কী চলছিল, তা কেউ টের পায়নি।পুলিশ জানিয়েছে, দামিনী ও তাঁর প্রেমিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু হয়েছে। তদন্তে আরও অনেক তথ্য উঠে আসতে পারে।

আরও দেখুনঃ আকাশ ছুঁয়েছে ভারতের বেসরকারি মহাকাশ স্বপ্ন! বিক্রম-১-এর সাফল্যে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

সাপটিকে কীভাবে সংগ্রহ করা হয়েছিল, কারা সাহায্য করেছিল সবকিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনা দেখিয়ে দিচ্ছে যে, মানুষের মনে কতটা নিষ্ঠুরতা লুকিয়ে থাকতে পারে।এমন ঘটনা সমাজের জন্যও এক বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। বিবাহিত জীবনে বিশ্বাসঘাতকতা কখনো কখনো এতটাই ভয়ংকর রূপ নেয় যে, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক খুনের পর্যায়ে চলে যায়। মনোবিদরা বলছেন, এই ধরনের ঘটনার পেছনে প্রায়ই অর্থ, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং বাইরের প্রভাব কাজ করে। দামিনীর ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে বলে পুলিশ মনে করছে।

আরও দেখুনঃ বঙ্গ জয়ের পুরস্কার? কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে শমীকের নাম ঘিরে জল্পনা