অনশন করে হাসপাতালে সোনম! বিলাসবহুল হোটেল থেকে দিপকেকে বের করল পুলিশ

নয়াদিল্লি: দিল্লির যন্তর মন্তরের প্রতিবাদী মঞ্চে অনশন করছিলেন (Sonam Wangchuk)সমাজ কর্মী এবং বিজ্ঞানী সোনম ওয়াংচুক। ২১ দিন অনশন করে গতকাল রাতে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।…

sonam-wangchuk-hunger-strike

নয়াদিল্লি: দিল্লির যন্তর মন্তরের প্রতিবাদী মঞ্চে অনশন করছিলেন (Sonam Wangchuk)সমাজ কর্মী এবং বিজ্ঞানী সোনম ওয়াংচুক। ২১ দিন অনশন করে গতকাল রাতে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদিকে ককরোচ জনতা পার্টির নেতা অভিজিৎদিপকেকে দেখা গেল বিলাসবহুল হোটেলে। যিনি প্রতিদিন সকাল ৮টায় ‘জুনাইদ ভাইয়ের’ ব্রেকফাস্ট খেতে ফিরে আসতেন, সেই ‘দিপকে’ আজ আর আসতে পারলেন না।

দিল্লি পুলিশ তাঁর আগেই পৌঁছে গেছে। রাতে বিলাসবহুল হোটেলে তাঁর ‘দৈনিক রিফ্রেশমেন্ট’ সূচির খবর সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে নেটদুনিয়ায়। যন্তর মন্তরের প্রতিবাদীদের মধ্যে দিপকে এক পরিচিত মুখ। দিনের বেলায় তিনি সেখানে বসে বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দেন, মিডিয়ার সামনে কথা বলেন। কিন্তু রাত হলেই নাকি তাঁর রুটিন বদলে যায়।

আরও দেখুনঃ রাজৌরিতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা! ভারতীয় সেনার গুলি বর্ষণে পালাল পাক জঙ্গিরা

সূত্র বলছে, প্রতিদিন রাতে তিনি দিল্লির কোনো এক বিলাসবহুল হোটেলে চলে যেতেন। সেখানে থাকতেন আরামদায়ক পরিবেশে, ভালো খাবার-দাবার, এসি রুম সবকিছু। সকাল হলেই আবার ফিরে আসতেন জন্তর মন্তরে, যেন কিছুই হয়নি। জুনাইদ ভাইয়ের কাছে ব্রেকফাস্ট নিয়ে বসতেন প্রতিবাদী সঙ্গীদের সঙ্গে। এই দ্বৈত জীবনযাপন নিয়ে এতদিন কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলেননি।

কিন্তু আজ সবকিছু বদলে গেছে।দিল্লি পুলিশ আজ ভোরেই যন্তর মন্তর এলাকায় পৌঁছে যায়। দিপকে তখনো হোটেল থেকে ফেরেননি। পুলিশের আগমনে প্রতিবাদীদের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। কেউ কেউ বলছেন, এটি প্রতিবাদ দমনের অংশ। আবার কেউ কেউ ফিসফিস করে বলছেন, দিপকের ‘রাতের রুটিন’ নিয়েই হয়তো পুলিশের নজর পড়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, হোটেলের বাইরে বিলাসবহুল গাড়ি, আরামদায়ক লবি এবং দিপকের কিছু ছবি।

আরও দেখুনঃ পর্দার আড়ালে, সাদা পোশাকের ঘেরাটোপে: যেভাবে হাসপাতালে সরানো হলো সোনমকে

এসব দেখে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করছেন। যিনি প্রতিবাদের নামে দিন কাটান, তিনি রাত কাটান পাঁচ তারকা হোটেলে এই চিত্র অনেকের কাছেই অবাক করা।একজন স্থানীয় প্রতিবাদী বলেন, “আমরা ভাবতাম সবাই সমান। দিনরাত এক করে লড়ছি। কিন্তু এখন যা শুনছি, তাতে মন খারাপ হয়ে যাচ্ছে। প্রতিবাদও কি এখন ব্যবসা হয়ে গেছে?” অন্যদিকে দিপকের সমর্থকরা বলছেন, এটা ব্যক্তিগত বিষয়।

কেউ কেউ দাবি করছেন, হয়তো কোনো বড় ব্যক্তির অতিথি হিসেবে তিনি হোটেলে ছিলেন। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন প্রতিবাদের জন্য যদি এত আরামদায়ক ব্যবস্থা থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের সমস্যা নিয়ে কতটা আন্তরিকতা থাকে?

আরও দেখুনঃ মমতা-অভিষেককে মুছে ফেললেন মদন