ইস্টবেঙ্গলকে বিদায় জানিয়ে নেটমাধ্যমে বিশেষ পোস্ট কেভিনের

সায়ন সেনগুপ্ত, কলকাতা: গত মরসুমের শুরুটা ভালো ছিল না ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) ফুটবল ক্লাবের। সেমিফাইনালে আটকে গিয়েই ডুরান্ড শেষ করেছিল দল। তারপর ঐতিহ্যবাহী আইএফএ শিল্ডের…

kevin-sibille-farewell-post-east-bengal-fc

সায়ন সেনগুপ্ত, কলকাতা: গত মরসুমের শুরুটা ভালো ছিল না ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) ফুটবল ক্লাবের। সেমিফাইনালে আটকে গিয়েই ডুরান্ড শেষ করেছিল দল। তারপর ঐতিহ্যবাহী আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে উঠলে ও শেষ রক্ষা হয়নি। পরাজিত হতে হয়েছিল পড়শীদের কাছে। তারপর দেশের সর্বভারতীয় কাপ টুর্নামেন্ট তথা সুপার কাপে দাপটের সাথে খেললেও ফাইনালে সম্ভব হয়নি। সাডেন ডেথে আটকে যেতে হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল দলকে। তারপর সকলের নজর ছিল দেশের প্রথম ডিভিশন ফুটবল লিগ তথা আইএসএলে। শেষ পর্যন্ত সেখানেই বাজিমাত করে মশাল ব্রিগেড‌‌। কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে লিগের শেষ ম্যাচে ইন্টার কাশীকে হারিয়ে খেতাব নিশ্চিত করেছিল দল।

Also Read | পরের স্টেশন মোহনবাগান! মাঠের গণ্ডি ছাড়িয়ে মেট্রোর মানচিত্রে শতাব্দীপ্রাচীন ক্লাব

বাইশ বছর পর এমন সর্বভারতীয় খেতাব জয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার কেভিন সিবিলের। তাঁর সক্রিয়তার জন্য বারংবার রক্ষা পেয়েছিল লাল-হলুদের তিন কাঠি। কিন্তু অস্কার ব্রুজো দলের দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার পর থেকেই ব্যাপকভাবে উঠে আসতে শুরু করেছিল কেভিন সিবিলের কথা। শোনা যাচ্ছিল, মিগুয়েল ফেরেইরা ও ইউসেফ ইজ্জেজারি‌র মতো তারকা ফুটবলারদের পাশাপাশি দল ছাড়তে পারেন এই আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার। সেটাই হল এবার। আজ কিছুক্ষণ আগে নিজের সোশ্যাল সাইট থেকে সেই কথা স্পষ্ট করে দেন কেভিন।

Also Read | FIFA বিশ্বকাপে সুযোগ পেল ভারত! কাপ জেতার হুংকার রঞ্জিত বাজাজের

তিনি লেখেন, ‘ প্রিয় ইস্টবেঙ্গল ফ্যামিলি। আপনাদের সবাইকে বিদায় জানানোর দিন এসে গেছে। সত্যি বলতে, আমি কখনো ভাবিনি এই মুহূর্তটা এত তাড়াতাড়ি আসবে।এই জার্সিটা পরে থাকা এবং একসাথে ইতিহাস গড়া চালিয়ে যাওয়ার আমার ইচ্ছা ছিল প্রবল। তবে আপনারা জানেন, ফুটবলে কখনও কখনও এই ধরনের সিদ্ধান্ত শুধু খেলোয়াড়ের উপর নির্ভর করে না। এই শহরে আসার প্রথম দিন থেকেই আপনারা আমাকে যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন, তার জন্য আপনাদের প্রত্যেকের প্রতি আমার গভীর কৃতজ্ঞতা ছাড়া আর কিছুই বলার নেই। আমি মন থেকে আশা করি, মাঠে আমার নিষ্ঠার মাধ্যমে আমি আপনাদের সেই সমস্ত স্নেহ ফিরিয়ে দিতে পেরেছি।’

Also Read | বিশ্বকাপে প্রথমবার সেমিফাইনালে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার দলের মহারণ

আরও লেখেন, ‘ আমি এই মানসিক শান্তি ও গর্ব নিয়ে বিদায় নিচ্ছি যে আমরা আমাদের লক্ষ্য অর্জন করেছি।কাপটি ঘরেই থেকেছে, এবং ক্লাবটিকে আমরা ঠিক সেখানেই রেখে এসেছি যেখানে তার থাকা উচিত। আমাদের একসাথে ভাগ করে নেওয়া সমস্ত কিছু, সমস্ত সুন্দর মুহূর্তগুলো আমি চিরকাল মনে রাখব। আশা করি ফুটবল আমাদের পথ আবার এক করে দেবে।’