লখনউ: একসময় ‘বিমারু’ (বিহার, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ) নামে পরিচিত (Uttar Pradesh)দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া রাজ্যগুলোর মধ্যে উত্তরপ্রদেশের নাম উচ্চারিত হত সবার আগে। অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল, বেকারত্বে জর্জরিত, পরিকাঠামোগতভাবে পিছিয়ে থাকা একটি রাজ্য হিসেবে উত্তরপ্রদেশের ইমেজ ছিল। কিন্তু আজ সেই ছবি সম্পূর্ণ বদলে গেছে। উত্তরপ্রদেশ এখন ভারতের শীর্ষ তিনটি অর্থনীতির অন্যতম রাজ্য।
রাজ্যের অর্থনৈতিক আকার গত কয়েক বছরে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। ১৩.৩ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বর্তমানে উত্তরপ্রদেশের অর্থনীতি পৌঁছেছে ৩৬ লক্ষ কোটি টাকায়। এই অসাধারণ বৃদ্ধি শুধু সংখ্যায় নয়, মানুষের জীবনযাত্রায়ও প্রতিফলিত হচ্ছে। রাজ্যে ১ কোটি ১০ লক্ষেরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পেয়েছেন ৯ লক্ষের বেশি যুবক-যুবতী।
আরও দেখুনঃ ২০২২এ পুতিনের পরমাণু হামলায় হস্তক্ষেপ করে ইউক্রেন বাঁচিয়েছেন মোদী! দাবি পোল্যান্ডের মন্ত্রীর
বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে অসাধারণ অগ্রগতি হয়েছে ৫০ শতাংশেরও বেশি স্টার্টআপ এখন নারী নেতৃত্বাধীন।এই পরিবর্তনের মূলে রয়েছে বিস্তৃত পরিকাঠামো উন্নয়ন। রাজ্যজুড়ে বিশাল এক্সপ্রেসওয়ে নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়ে, বুন্দেলখণ্ড এক্সপ্রেসওয়ে, গোরখপুর লিংক এক্সপ্রেসওয়ে এসব শুধু রাস্তা নয়, অর্থনৈতিক করিডোর হয়ে উঠেছে।
বিমানবন্দরের সংখ্যাও বেড়েছে দ্রুত। অযোধ্যা, জেবি নগর, কুশিনগরসহ একাধিক নতুন বিমানবন্দর যোগাযোগকে সহজ করেছে। শিল্পপতিরা বলছেন, এখন উত্তরপ্রদেশে বিনিয়োগ করা আগের চেয়ে অনেক সহজ ও লাভজনক।লখনউয়ের এক তরুণ উদ্যোক্তা রাহুল বলেন, “আগে চাকরির জন্য দিল্লি-মুম্বই ছুটতে হত।
আরও দেখুনঃ ফের সফল মোদী! দেশে অনুমোদন পেল ১,২৭৫০০ কোটির সেমিকন্ডাক্টর হাব
এখন নিজের রাজ্যেই সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এক্সপ্রেসওয়ে হওয়ায় আমার ব্যবসা তিনগুণ বেড়েছে।” গ্রামীণ এলাকায়ও পরিবর্তন স্পষ্ট। ছোট ছোট শিল্প, ফুড প্রসেসিং ইউনিট, হ্যান্ডলুম ও টেক্সটাইল সেক্টর নতুন করে চাঙ্গা হয়েছে। নারীরা এখন শুধু গৃহিণী নন, উদ্যোক্তা হয়ে উঠছেন।
আরও দেখুনঃ কাছে গিয়েও অধরা ডিলিমিটেশন! NDA র চালে বাড়া ভাতে ছাই সুপ্রিয়ার





