আর চলবে না কমিউনিস্টদের দাদাগিরি! সফটওয়্যার-নিয়ন্ত্রিত চৌম্বকক্ষেত্রে ভারত বানাল ইলেকট্রিক মোটর

নয়াদিল্লি: ভারতীয় একটি ছোট স্টার্টআপ চিনের রেয়ার আর্থ (Rare Earth)ম্যাগনেট নির্ভর ইলেকট্রিক গাড়ির (ইভি) সাম্রাজ্যে বড় ধাক্কা দিয়েছে। মাত্র ৫ মিলিয়ন ডলারের এই স্টার্টআপ বিশ্বের…

rare-earth-free-electric-motor

নয়াদিল্লি: ভারতীয় একটি ছোট স্টার্টআপ চিনের রেয়ার আর্থ (Rare Earth)ম্যাগনেট নির্ভর ইলেকট্রিক গাড়ির (ইভি) সাম্রাজ্যে বড় ধাক্কা দিয়েছে। মাত্র ৫ মিলিয়ন ডলারের এই স্টার্টআপ বিশ্বের প্রথম রেয়ার আর্থ-মুক্ত ইলেকট্রিক মোটর প্ল্যাটফর্মের পেটেন্ট পেয়েছে। এই প্রযুক্তিতে স্থায়ী চুম্বকের পরিবর্তে সফটওয়্যার-নিয়ন্ত্রিত চৌম্বক ক্ষেত্র ব্যবহার করা হয়েছে।

এই আবিষ্কার ভারতকে ইভি প্রযুক্তিতে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। চিন বিশ্বের প্রায় ৯৪ শতাংশ রেয়ার আর্থ ম্যাগনেটের নিয়ন্ত্রণ করে। এই ম্যাগনেট ইলেকট্রিক মোটরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।চিন যদি রফতানি বন্ধ করে দেয়, তাহলে বিশ্বের অনেক ইভি উৎপাদনকারী কোম্পানি সংকটে পড়বে।

আরও দেখুনঃ ছেলের কোম্পানির ব্যাঙ্ক ঋণ ১,৬০০ কোটি টাকা-ইথানলে শেয়ার ১%! স্বচ্ছতা প্রমানে বদ্ধপরিকর গড়করি

এমন পরিস্থিতিতে ভারতীয় স্টার্টআপের এই আবিষ্কারকে “গেম চেঞ্জার” বলে অভিহিত করা হচ্ছে।স্টার্টআপটির প্রতিষ্ঠাতা জানিয়েছেন, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করে এই প্রযুক্তি তৈরি করেছেন। সফটওয়্যারের মাধ্যমে চৌম্বক ক্ষেত্র নিয়ন্ত্রণ করে মোটরকে কাজ করানো হয়। এতে রেয়ার আর্থের প্রয়োজন পড়ে না। প্রোটোটাইপ ইতিমধ্যে সফলভাবে চলছে।

বেশ কয়েকটি বড় গাড়ি নির্মাতা কোম্পানি এটি পরীক্ষা করছে এবং চলতি বছরেই বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হতে পারে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রযুক্তি শুধু খরচ কমাবে না, ভারতকে আমদানি নির্ভরতা থেকে মুক্তি দেবে। বর্তমানে ইভি মোটরের জন্য রেয়ার আর্থ ম্যাগনেট আমদানি করতে হয়। নতুন প্রযুক্তি চালু হলে উৎপাদন খরচ কমবে এবং ভারতীয় ইভি আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে।

আরও দেখুনঃ এবার লাদাখকে স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার নতুন ভাবনা শাহের!

চিনের তরফ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে এই আবিষ্কার নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, চিনের একচেটিয়া আধিপত্য এবার ভাঙতে চলেছে। ভারতীয় স্টার্টআপের এই সাফল্য দেখিয়ে দিচ্ছে যে, ছোট উদ্যোগও বিশ্বমানের আবিষ্কার করতে পারে।ভারত সরকারও এই খাতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘আত্মনির্ভর ভারত’ অভিযানের অংশ হিসেবে ইভি ও সবুজ প্রযুক্তিকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এই আবিষ্কার সেই লক্ষ্য পূরণে বড় ভূমিকা রাখবে।

আরও দেখুনঃ প্রধানমন্ত্রী আবাসে ১ লক্ষ বাড়ি-একাধিক গবেষণাগারের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর