গাইবান্ধায় রাম মূর্তি প্রাঙ্গনে তালা-ব্যারিকেড! ৮৪ ফুট মূর্তি ধূলিস্যাতের আশঙ্কায় হিন্দুরা

ঢাকা: বাংলাদেশে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী অঞ্চলে ৮৪ ফুটের রাম মূর্তি নির্মাণকে (Ram Statue)কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে চাপানউতোর। এই মূর্তি নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিরোধিতায় রাস্তায়…

gaibandha-ram-statue

ঢাকা: বাংলাদেশে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী অঞ্চলে ৮৪ ফুটের রাম মূর্তি নির্মাণকে (Ram Statue)কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে চাপানউতোর। এই মূর্তি নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিরোধিতায় রাস্তায় নেমেছে ইসলামপন্থীরা। এই রামের মূর্তি নির্মাণের সমর্থনে রাস্তায় নেমেছিল সংখ্যালঘু হিন্দুরাও।

মূর্তি নির্মাণ স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও।এই ঘটনায় দেশ জুড়ে বেড়েছে উত্তেজনা।সূত্রের খবরে জানা গিয়েছে আজ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই তালা লাগিয়ে দেওয়া হল এই প্রাচীন রাধা গোবিন্দ মন্দিরে যেখানে এই মূর্তিটি তৈরী করা হচ্ছিল। একঘরাও জানা গিয়েছে অবিলম্বে মূর্তিটি ধ্বংস করা হতে পারে।

আরও দেখুনঃহাসিনার বক্তব্য প্রচারে বাধা তারেকের! বাংলাদেশে সংবাদ মাধ্যমের কণ্ঠরোধের অভিযোগ

পলাশবাড়ি উপজেলায় অবস্থিত এই মন্দিরটি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে পূজা-অর্চনার কেন্দ্র ছিল। ৮৪ ফুট উঁচু রামমূর্তি এই অঞ্চলের একটি উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় স্থাপনা হিসেবে পরিচিত ছিল। হঠাৎ করে প্রশাসনের লোকজন এসে মন্দিরটি বন্ধ করে দেয় এবং চারপাশে ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তারেক রহমানের নির্দেশে মূর্তি ও বিগ্রহগুলো ভেঙে ফেলার প্রস্তুতি চলছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মন্দির চত্বরের আশপাশে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তারা বলছেন, মন্দিরটি ঘিরে রাখা হয়েছে নিরাপত্তার কারণে। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন, এটি শুধু নিরাপত্তার বিষয় নয়, বরং ধর্মীয় স্থাপনা ধ্বংসের পরিকল্পনা। মন্দির কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, তাঁরা উচ্চপর্যায়ে আবেদন করবেন যাতে মন্দির ও মূর্তিগুলো রক্ষা করা হয়।

আরও দেখুনঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হিন্দু মহিলাকে দুদিন আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন! কাঠগড়ায় ইমন-মুরাদ

মানবাধিকার সংগঠনগুলি এই ঘটনার নিন্দা করেছে। তাঁরা সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন যেন মন্দিরটি অবিলম্বে খুলে দেওয়া হয় এবং কোনো ধ্বংসাত্মক কাজ না করা হয়। আন্তর্জাতিক মহলেও এই ঘটনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন সংগঠনও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

সংখ্যালঘু হিন্দুদের মতে বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই অরাজকতা শুরু হয়েছে এবং হিন্দুদের উপর অত্যাচারের মাত্রা বেড়েছে। এমনকি তারেক রহমান ক্ষমতায় এসেও সংখ্যালঘুদের কোনও সুরাহা হয়নি। হিন্দু হত্যা থেকে শুরু করে মন্দির ধ্বংস সব কিছুই বেলাগাম চলছে বাংলাদেশে।

আরও দেখুনঃ বাংলাদেশে পাকিস্তানের অংশ হিসেবে দেখান হল জম্মু-কাশ্মীর! প্রতিবাদ হাইকমিশনের সেক্রেটারির