বলিউড অভিনেতা রাজপাল যাদবের জীবনে নেমে এল বড়সড় আইনি বিপর্যয়। একটি পুরনো চেক বাউন্স মামলায় দিল্লি হাইকোর্ট তাঁর দোষী সাব্যস্ত হওয়ার রায় বহাল রেখেছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, অভিনেতার আচরণ ‘সন্দেহজনক’। আদালতের নির্দেশের পর তাঁকে তড়িঘড়ি তিহাড় জেলে পাঠানো হয়। তবে পরবর্তীকালে জামিন পেলেও এই দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ে অভিনেতা কার্যত বিপর্যস্ত। (Rajpal Yadav To Go Back To Jail)
মামলার প্রেক্ষাপট
ঘটনার সূত্রপাত ২০১০ সালে। রাজপাল যাদব তাঁর প্রথম পরিচালিত ছবি ‘অতা পতা লাপাতা’-র জন্য মুরলী প্রজেক্টস প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে ৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। কিন্তু ছবিটি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ায় শুরু হয় চরম আর্থিক সংকট। টাকা ফেরত না দিতে পারায় বিষয়টি দীর্ঘস্থায়ী আইনি লড়াইয়ে রূপ নেয়। ২০১৮ সালে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট রাজপাল ও তাঁর স্ত্রী রাধাকে চেক বাউন্স মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেয়। এরপর সেশন কোর্টও সেই রায় বহাল রাখে।
হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ
২০২৪ সালের জুন মাসে দিল্লি হাইকোর্ট সাময়িকভাবে তাঁর সাজা স্থগিত রেখে প্রায় ৯ কোটি টাকা বকেয়া মেটানোর সুযোগ দিয়েছিল। কিন্তু বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করায় এবং টাকা মেটাতে ব্যর্থ হওয়ায় চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি আদালত তাঁকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। জেলে যাওয়ার আগে এক সাক্ষাৎকারে রাজপাল আবেগী কণ্ঠে বলেন, ‘‘স্যার, কী করব? আমার কাছে টাকা নেই। আর কোনো উপায় দেখছি না।’’
পাশে দাঁড়িয়েছে বলিউড
এই দুঃসময়ে রাজপাল যাদবের পাশে দাঁড়িয়েছে গোটা বলিউড। অভিনেতা সোনু সুদ, অজয় দেবগন, সলমন খান থেকে শুরু করে গুরমিত চৌধুরীর মতো সহকর্মীরা তাঁকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। এছাড়া অনেক চলচ্চিত্র নির্মাতা ও গায়করা তাঁকে আগাম পারিশ্রমিক দিয়ে নতুন প্রজেক্টে সই করিয়েছেন। ইন্ডাস্ট্রির এই সহযোগিতার হাত তাঁর জন্য অনেকটা স্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন।
আইনি জটিলতার পাশাপাশি আর্থিক টানাপোড়েনে রাজপালের এই লড়াইয়ের কাহিনী এখন বি-টাউনের চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে।
জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,





