মিরিক লেককে আরও সুন্দর করতে ১০০কোটির পর্যটন প্রকল্প শুভেন্দু সরকারের

শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র মিরিককে (Mirik Lake)নতুন রূপে সাজিয়ে তুলতে বড় পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার। পর্যটনমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রায় ১০০ কোটি টাকার প্রকল্পের মাধ্যমে…

mirik-lake-tourism-project

শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র মিরিককে (Mirik Lake)নতুন রূপে সাজিয়ে তুলতে বড় পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার। পর্যটনমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রায় ১০০ কোটি টাকার প্রকল্পের মাধ্যমে মিরিক লেককে কেন্দ্র করে পর্যটন পরিকাঠামোর ব্যাপক উন্নয়ন করা হবে। মূল লক্ষ্য, মিরিককে আন্তর্জাতিক মানের একটি আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা।

এই প্রকল্পে মিরিক লেকের সৌন্দর্যায়নের পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো, লেক সংলগ্ন এলাকা আরও আকর্ষণীয় করে তোলা, উন্নত আলোকসজ্জা, ল্যান্ডস্কেপিং, হাঁটার পথ (ওয়াকওয়ে), বসার জায়গা, ভিউ পয়েন্ট এবং পর্যটকবান্ধব বিভিন্ন পরিকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমের ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হবে। বোটিংয়ের পাশাপাশি নতুন ধরনের অ্যাডভেঞ্চার কার্যক্রম চালুর সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও দেখুনঃ টোটো চালকদের দীর্ঘদিনের সমস্যা নিয়ে শিলিগুড়ি হেড পোস্ট অফিসের সামনে অবস্থান সিটুর

প্রায় ১,৪৯৫ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মিরিকের প্রাণকেন্দ্র সুমেন্দু লেক (মিরিক লেক)। চারপাশের পাইন বন, চা-বাগান এবং পাহাড়ি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বহু বছর ধরেই এটি দেশ-বিদেশের পর্যটকদের অন্যতম পছন্দের গন্তব্য। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মিরিকে পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও দেখুনঃ শহরের সৌন্দর্য রক্ষা করতে অবৈধ হোর্ডিংয়ের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা শিলিগুড়ি পুরনিগমের

সরকারের আশা, এই উন্নয়ন প্রকল্পের ফলে শুধু পর্যটনই নয়, স্থানীয় হোমস্টে, হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহণ, ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং পর্যটননির্ভর বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে উত্তরবঙ্গের পর্যটন শিল্প আরও শক্তিশালী হবে এবং মিরিক নতুন পরিচয়ে পর্যটকদের কাছে ধরা দেবে। তবে প্রকল্পের বিস্তারিত নকশা ও কাজের চূড়ান্ত সময়সূচি সরকারিভাবে প্রকাশের পর ধাপে ধাপে তা বাস্তবায়ন করা হবে।

আরও দেখুনঃ দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা কাটিয়ে রাজগঞ্জে BSF র হাতে বেড়া দেওয়ার জমি