ব্যারাকপুর: ব্যারাকপুরের উন্নয়ন নিয়ে নতুন করে আশার আলো দেখাচ্ছেন রাজ্যের মন্ত্রী অর্জুন সিং। (Arjun Singh)অর্জুন সিং সহ ছয় স্থানীয় বিধায়ক কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। বৈঠকে ব্যারাকপুরের বহু দিনের অমীমাংসিত প্রকল্পগুলো তুলে ধরা হয়েছে। অর্জুন সিং জানিয়েছেন, খালি পড়ে থাকা রেল জমি অবিলম্বে কাজে লাগিয়ে অপরাধপ্রবণ এলাকা হওয়া থেকে রক্ষা করতে হবে।
বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অর্জুন সিং বলেন, “ছয় জন স্থানীয় বিধায়ক মিলে আমরা ব্যারাকপুরের গুরুত্বপূর্ণ ঝুলে থাকা প্রকল্পগুলো মন্ত্রীমশাইয়ের নজরে এনেছি। বিশেষ করে রেলওয়ের খালি পড়ে থাকা জমিগুলো যাতে অবৈধভাবে দখল না হয়ে যায়, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। এই জমিগুলো যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়, তাহলে রোহিঙ্গ্যা ও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের অবৈধ বসতি তৈরি হওয়া থেকে এলাকাকে রক্ষা করা সম্ভব।
আরও দেখুনঃ হরিনাম সংকীর্তনে আপত্তি! বোলপুরে শ্যামল নাগের উপর ইসলামপন্থীদের প্রাণঘাতী হামলা
এগুলো না হলে ধীরে ধীরে অপরাধের আখড়ায় পরিণত হবে।”বিধায়ক আরও জানান, ব্যারাকপুর থেকে বারাণসীর উদ্দেশে অন্তত একটি বা দুটি বন্দে ভারত ট্রেন চালুর দাবি তুলেছেন তাঁরা। তিনি বলেন, “একটি আনুষ্ঠানিক আবেদন ইতিমধ্যেই জমা দেওয়া হয়েছে। ব্যারাকপুরের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি এটি। এই ট্রেন চালু হলে যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি হবে এবং কর্মসংস্থানেরও নতুন সুযোগ তৈরি হবে।”
হকারদের সমস্যা নিয়েও মন্ত্রীর কাছে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। অর্জুন সিং বলেছেন, “বর্তমানে হকাররা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি, যদি তাঁদের সরাতেই হয়, তাহলে আগে বিকল্প অস্থায়ী জায়গা দিতে হবে। হকারদের জীবিকা নিয়ে ছিনিমিনি খেলা চলবে না।”সন্দেশখালির অস্ত্র উদ্ধার প্রসঙ্গে অর্জুন সিং সরাসরি তৃণমূলের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন।
তিনি বলেন, “আমি আগেই বলেছিলাম, এ ধরনের জায়গাগুলো থেকে অস্ত্র উদ্ধার হবে। এখন যা হচ্ছে তা শুধু শুরু। তৃণমূল নেতাদের যদি গ্রেফতার করে তল্লাশি করা হয়, তাহলে আরও অনেক অস্ত্র বেরিয়ে আসবে। সন্দেশখালি শুধু একটি উদাহরণ। পুরো রাজ্যেই এই ধরনের অবৈধ অস্ত্রের নেটওয়ার্ক রয়েছে।”




















