সায়ন সেনগুপ্ত, কলকাতা: শেষ সিজনটা আহামরি ছিল না মোহনবাগান (Mohun Bagan) সুপার জায়ান্টের। ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পরাজিত হয়ে ছিটকে যেতে হয়েছিল টুর্নামেন্ট থেকে। যদিও সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল মেরিনার্সরা। ঐতিহাসিক আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে তারা পরাজিত করেছিল পড়শী ক্লাব ইস্টবেঙ্গলকে। সুপার কাপে সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। ছিটকে যেতে হয়েছিল গ্রুপ পর্ব থেকে। তারপর সকলের নজরে ছিল দেশের প্রথম ডিভিশন ফুটবল লিগ তথা আইএসএল। বাকি মরসুমের মত জয়ের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করলেও পরবর্তীতে আটকে যেতে হয়েছিল মুম্বাই সিটির কাছে।
তারপর ও দল পয়েন্ট নষ্ট করে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে। তাছাড়া সিঙ্গেল লেগের টুর্নামেন্ট হওয়ায় যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠেছিল চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই। শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচে পিছিয়ে থেকে জয় আসলেও ট্রফি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। গোল পার্থক্যের ভিত্তিতে ভারত সেরা হয় ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। তবে সেইসব এখন অতীত। পুরনো সব ভুলে এবার নতুন সিজনে নিজেদের হারানো ছন্দ ফেরানোই লক্ষ্য মেরিনার্সদের। এক্ষেত্রে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী গত
বুধবার বিকেল থেকেই কলকাতা লিগের প্রস্তুতি শুরু করেছে মোহনবাগানের রিজার্ভ দল।
যেখানে রাজ বাস্ফোর ও তন্ময়দের পাশাপাশি ব্যাপকভাবে নজর কেড়েছিল দীপেন্দু বিশ্বাস। বলাবাহুল্য, গত ইন্ডিয়ান সুপার লিগে সিনিয়র দলের হয়ে খুব একটা সুযোগ পাননি এই ভারতীয় ডিফেন্ডার। এমনকি ডুরান্ড- সুপার কাপে ও সুযোগ পেয়েছেন হাতে গোনা কয়েকটি ম্যাচে। তবে এবারের কলকাতা লিগে তাঁকে নিয়ে ব্যাপক প্রত্যাশা রয়েছে বাস্তব রায়ের। দলের প্রথম দিনের অনুশীলন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই ডিফেন্ডার বলেন, ‘ আমরা বহুদিন সিএফএল চ্যাম্পিয়ন হইনি। তবে আমরা আশা রাখছি এবার ভালো খেলে চ্যাম্পিয়ন হব।’
পাশাপাশি এই ফুটবলার আর বলে, ‘ আমাদের দলে সকলেই যথেষ্ট ভালো ফুটবলার। যথেষ্ট অভিজ্ঞ। তবে কয়েকজন জুনিয়র রয়েছে। আমরা তাদের মোটিভেট করার চেষ্টা করব। ‘




















