অন্নপূর্ণা প্রকল্প সফল করতে পুরসভার ম্যারাথন বৈঠক

শহর কলকাতায় অন্নপূর্ণা যোজনা সফলভাবে ও ত্রুটিহীনভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পুরসভা স্তরে চলছে চরম ব্যস্ততা। প্রকল্পটির প্রথম দফার কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কলকাতা পুরসভার (kolkata Municipal Corporation) শীর্ষ আধিকারিক ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
Kolkata Municipal Corporation Deploys Over 100 Senior Officials for Annapurna Yojana

শহর কলকাতায় অন্নপূর্ণা যোজনা সফলভাবে ও ত্রুটিহীনভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পুরসভা স্তরে চলছে চরম ব্যস্ততা। প্রকল্পটির প্রথম দফার কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কলকাতা পুরসভার (kolkata Municipal Corporation) শীর্ষ আধিকারিক থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তারা পর্যন্ত এখন মাঠে নেমে কাজ করছেন। প্রশাসনিক স্তরে এই ধরনের সরাসরি মাঠপর্যায়ের অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে তৈরি হয়েছে বিশেষ আলোড়ন।

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্নপূর্ণা যোজনা সফলভাবে (kolkata Municipal Corporation) রূপায়ণের জন্য অন্তত ১০০ জনেরও বেশি পুর আধিকারিককে বিশেষভাবে নিয়োগ করা হয়েছে। এদের দায়িত্ব শুধু অফিসে বসে কাজ করা নয়, বরং ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে গিয়ে সরাসরি কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা। এমনকি শীর্ষস্থানীয় পুর আধিকারিকদেরও এখন নিয়মিতভাবে রাস্তায় নেমে কাজ করতে হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। প্রশাসনিক সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বিভিন্ন বিভাগের ডিজিরাও এই প্রকল্পের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য সরাসরি নজরদারি চালাচ্ছেন। শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে ক্যাম্প করে সাধারণ মানুষের আবেদন গ্রহণ, তথ্য যাচাই এবং নথি পূরণের কাজ চলছে। লক্ষ্য একটাই কোনও যোগ্য নাগরিক যাতে অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন।

   

পুরসভা সূত্রে খবর, আজ বুধবার (kolkata Municipal Corporation) থেকেই অন্নপূর্ণা যোজনার প্রথম দফার আর্থিক সহায়তা সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, প্রথম দফাতেই অন্তত ৯০ হাজারেরও বেশি উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে দেওয়া। এই লক্ষ্য পূরণে প্রশাসনিক স্তরে চাপ ও তৎপরতা দুটোই উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে পুরসভার আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে (kolkata Municipal Corporation) শুধু ক্যাম্প পরিচালনা করলেই চলবে না, বরং প্রতিটি ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে হবে। আবেদনপত্র পূরণের সময় কোনওরকম অসুবিধা হলে তা সঙ্গে সঙ্গে সমাধান করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

এক শীর্ষ পুর আধিকারিক জানিয়েছেন, (kolkata Municipal Corporation) এই প্রকল্পের কাজের চাপ এতটাই বেশি যে সকাল ১০টার মধ্যে অফিস বা ক্যাম্পে বেরিয়ে যেতে হচ্ছে এবং কাজ শেষ করে ফিরতে ফিরতে রাত ৮টা বা ৯টা বেজে যাচ্ছে। তাঁর কথায়, “আবেদনপত্র সংগ্রহ, তথ্য যাচাই এবং বিভিন্ন নথি মিলিয়ে দেখার কাজ যথেষ্ট সময়সাপেক্ষ। প্রতিটি আবেদন খুঁটিয়ে যাচাই করতে হচ্ছে যাতে কোনও ভুল না থাকে।”

প্রশাসনিক মহলের দাবি, তথ্য যাচাইয়ের পর একটি ঝাড়াই-বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় সময় যেমন বেশি লাগছে, তেমনই দায়িত্বও অনেক বেড়ে গিয়েছে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের ওপর। ফলে অনেকেই কার্যত চাপের মধ্যে কাজ করছেন।

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google