যোধপুরে ভারতের দেশীয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি একটি বড় সাফল্য অর্জন করেছে। হোভারিট দ্বারা নির্মিত কৌশলগত লোইটারিং মিউনিশন প্ল্যাটফর্ম ‘দিব্যাস্ত্র এমকে-১’ (Divyastra Mk-1) ভারতীয় সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে সফলভাবে প্রদর্শন করা হয়েছে। প্রদর্শনী চলাকালীন, একটি যানবাহনে স্থাপিত মোবাইল লঞ্চার থেকে দিব্যাস্ত্র এমকে-১ ইউএভি-টি সফলভাবে একাধিকবার উৎক্ষেপণ করা হয়। এই পরীক্ষাটি যুদ্ধক্ষেত্রে এর দ্রুত মোতায়েন, গতিশীলতা এবং অভিযানিক প্রস্তুতি প্রদর্শন করেছে।
কোম্পানির মতে, এই মহড়াটি গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি এবং পর্যবেক্ষণ মিশন পরিচালনার ক্ষেত্রে ড্রোনটির সক্ষমতাও সফলভাবে প্রদর্শন করেছে। এই পরীক্ষাটি প্রমাণ করে যে দিব্যাস্ত্র এমকে-১ বাস্তব যুদ্ধক্ষেত্রের মতো পরিস্থিতিতে কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে।
দিব্যাস্ত্র এমকে-১ একটি সম্পূর্ণ দেশীয়ভাবে তৈরি কৌশলগত ড্রোন
দিব্যাস্ত্র এমকে-১ হলো গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি, পর্যবেক্ষণ এবং সুনির্দিষ্ট আঘাত হানার জন্য ডিজাইন করা একটি সম্পূর্ণ দেশীয়ভাবে তৈরি কৌশলগত ড্রোন। এর কার্যক্ষমতার পরিসীমা ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত এবং একটানা উড্ডয়নের ক্ষমতা ৫ ঘন্টা পর্যন্ত। ড্রোনটি ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল ও ইনফ্রারেড সেন্সর এবং কমিউনিকেশন রিলে সিস্টেম দ্বারা সজ্জিত এবং মিশনের প্রয়োজনীয়তা অনুসারে বিভিন্ন ধরনের ওয়ারহেডসহ মোতায়েন করা যেতে পারে, যা সামরিক বাহিনীকে নজরদারি, লক্ষ্যবস্তু শনাক্তকরণ এবং কৌশলগত অভিযানে অধিকতর নমনীয়তা ও সক্ষমতা প্রদান করে।
Divyastra Mk-1 Demonstrated Before Indian Army📍
Hoverit showcased its indigenous Divyastra Mk-1 loitering munition before senior Indian Army officials in Jodhpur
The UAV demonstrated rapid deployment surveillance and precision-strike capabilities with a range of up to 500 km pic.twitter.com/RvQ9xFpvqU
— 𝐆𝐞𝐨 𝐆𝐫𝐢𝐝 (@GeoGrid_) June 1, 2026
দিব্যাস্ত্র এমকে-১-এর সফল প্রদর্শনীকে ভারতের আত্মনির্ভরশীল প্রতিরক্ষা সক্ষমতা এবং দেশীয় ড্রোন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ভারত বিদেশি অস্ত্রের ওপর নির্ভরতা কমাতে ক্রমাগত পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং এই ক্ষেত্রে যথেষ্ট সাফল্য অর্জন করছে বলে মনে হচ্ছে।
ড্রোন প্রযুক্তি ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি প্রধান কেন্দ্রবিন্দু
ড্রোন প্রযুক্তি ভারতীয় সেনাবাহিনীর আধুনিকীকরণ কৌশলের একটি প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এটিকে একটি শক্তি গুণক হিসেবে দেখা হয় যা যুদ্ধের প্রকৃতিকে রূপান্তরিত করতে পারে, বিশেষ করে সীমান্ত নজরদারি, আক্রমণ, রসদ সরবরাহ এবং ঝাঁকবদ্ধ যুদ্ধে। ভারতে ড্রোন তৈরি করা হচ্ছে এবং বিদেশে রফতানি করা হচ্ছে।




















