কলকাতা: নতুন সরকারের হাই-প্রোফাইল প্রকল্প ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ চালু হওয়া নিয়ে এই মুহূর্তে রাজ্যজুড়ে তুমুল চর্চা চলছে। আগামী ২ জুনের মধ্যে যে সমস্ত মহিলারা ফর্ম জমা দেবেন, তাঁদের নথিপত্র স্ক্রুটিনি বা যাচাই করেই ৩ জুনের মধ্যে প্রথম কিস্তির ৩ হাজার টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করে দেওয়া হবে। তবে পাতার পর পাতা ফর্মের ফাঁদ দেখে রাজ্যের মহিলারা যখন কার্যত ভিড়মি খাচ্ছেন, তখন শনিবার তাঁদের দুশ্চিন্তা দূর করতে বড়সড় আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী খোদ। (annapurna bhandar form fill up will be done visiting door to door)
প্রতি বাড়িতে প্রতিনিধিরা যাবেন
মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “ইতিমধ্যেই অন্নপূর্ণা যোজনায় নাম নথিভুক্তকরণের কাজ আমরা শুরু করে দিয়েছি। কেউ বিচলিত বা বিভ্রান্ত হবেন না, গুজবে কান দেবেন না। যাঁরা ফর্ম পূরণ করতে পারছেন না, তাঁদের প্রত্যেকের বাড়িতে আমাদের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিরা যাবেন এবং তাঁরাই ফর্ম ফিলআপ করে নিয়ে আসবেন।”
ভুয়ো প্রাপকদের কড়া হুঁশিয়ারি
টাকা দেওয়ার পাশাপাশি এই প্রকল্পে কড়া অনুশাসন ও নিয়মানুবর্তিতার বার্তাও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, সরকার চায় প্রকৃত প্রাপকদের হাতেই যেন এই অর্থ পৌঁছয়। কিন্তু কোনও অ-ভারতীয়ের হাতে কিংবা মহিলাদের জন্য বরাদ্দ এই টাকা যাতে কোনও পুরুষের অ্যাকাউন্টে না যায়, তা কঠোরভাবে নিশ্চিত করা হচ্ছে। বিগত জমানায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা জালিয়াতি করে যে সকল পুরুষরা পাচ্ছিলেন, তাঁরা ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন বলে মনে করিয়ে দেন তিনি। নতুন সরকার সম্পূর্ণ ‘ডিসিপ্লিন’ মেনে কাজ করবে এবং যোগ্য মা-বোনেদের খুঁজে বের করে সংকল্প পত্রের প্রতিটি প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হবে বলে জোরালো দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।



















