ফর্ম বুঝতে না পারলে চিন্তা নেই, জেনে নিন কার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন

বারো পাতার অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম (Annapurna Yojana Form) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যেই সেই ফর্ম ডাউনলোড করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে। শুক্রবার থেকেই বহু মানুষ এই ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
annapurna-yojana-west-bengal-3000-rupees

বারো পাতার অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম (Annapurna Yojana Form) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যেই সেই ফর্ম ডাউনলোড করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে। শুক্রবার থেকেই বহু মানুষ এই প্রকল্পের জন্য আবেদনপত্র পূরণ করতে শুরু করবেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। তবে ফর্মের দৈর্ঘ্য ও বিভিন্ন তথ্য চাওয়ার কারণে অনেক আবেদনকারী বিভ্রান্ত হতে পারেন বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল বা প্রবীণ নাগরিকদের মধ্যে অনেকেই এই দীর্ঘ ফর্ম পূরণ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে পারেন। (Annapurna Yojana Form) সেক্ষেত্রে কী করবেন সাধারণ মানুষ? কোথায় গেলে মিলবে সাহায্য? সেই বিষয়েই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে।

প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana Form) আবেদনপত্র খতিয়ে দেখার দায়িত্ব থাকবে রাজ্য সরকারের অনুমোদিত প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপর। মূলত বিডিও অফিস এবং পুরসভার আধিকারিকরাই আবেদনকারীদের নথি যাচাই ও তথ্য পরীক্ষার কাজ করবেন। ফলে, কেউ যদি ফর্ম পূরণ করতে গিয়ে কোনও তথ্য বুঝতে না পারেন, অথবা কোনও অংশ কীভাবে পূরণ করতে হবে তা নিয়ে সংশয়ে থাকেন, তাহলে তাঁরা সরাসরি সংশ্লিষ্ট বিডিও অফিস বা পুরসভার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।

   

জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পে (Annapurna Yojana Form) আবেদন যাচাইয়ের জন্য রাজ্য জুড়ে ৩০ দিনের একটি বিশেষ ডোর-টু-ডোর ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া চালানো হবে। অর্থাৎ প্রশাসনিক কর্মীরা আবেদনকারীদের বাড়িতে গিয়ে তথ্য যাচাই করবেন। ফলে, আবেদনপত্রে কোনও ভুল বা অস্পষ্টতা থাকলেও তা সংশোধনের সুযোগ পাওয়া যেতে পারে। তবে প্রশাসনের তরফে আবেদনকারীদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যতটা সম্ভব সঠিক তথ্য দিয়ে ফর্ম পূরণ করার জন্য।

ফর্মে সাধারণত আবেদনকারীর(Annapurna Yojana Form) ব্যক্তিগত তথ্য, পারিবারিক আয়, ঠিকানা, পরিচয়পত্রের বিবরণ, রেশন কার্ড সংক্রান্ত তথ্য-সহ একাধিক বিষয় উল্লেখ করতে বলা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় নথির ফটোকপি জমা দিতে হতে পারে। তাই ফর্ম পূরণের আগে সমস্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হাতের কাছে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন প্রশাসনিক কর্তারা।

তবে এখনও পর্যন্ত এই প্রকল্প সংক্রান্ত কোনও টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়নি। ফলে, যাঁদের অনলাইনে বা ফোনে সাহায্যের প্রয়োজন, তাঁদের আপাতত স্থানীয় প্রশাসনিক অফিসের উপরই নির্ভর করতে হবে। অনেক জায়গায় পঞ্চায়েত স্তরেও সহায়তা শিবির আয়োজন করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। যদিও এই বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google