কলকাতা: রেশন থেকে শুরু করে ইএফটি, ব্যাঙ্কিং পরিষেবা কিংবা নতুন ফোনের কানেকশন, ভারতের প্রতিটি নাগরিকের দৈনন্দিন জীবনের ‘লাইফলাইন’ হয়ে উঠেছে ১২ সংখ্যার আধার নম্বর। আধার তথ্যে সামান্যতম হেরফের বা ভুলভ্রান্তি থাকলে যেকোনো মুহূর্তে আটকে যেতে পারে সরকারি ভর্তুকি বা গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তবে ইচ্ছে হলেই যে আধার কার্ডের ভুল বারবার সংশোধন করা যাবে, তা কিন্তু নয়। তথ্য জালিয়াতি রুখতে কোন তথ্য কতবার এডিট বা আপডেট করা যাবে, তার একটি কড়া লক্ষ্মণরেখা টেনে দিয়েছে ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (UIDAI)। নাগরিকদের সুবিধার্থে এক নজরে দেখে নেওয়া যাক আধার আপডেটের সেই কড়া নির্দেশিকা৷ (How many times Aadhaar details can be updated)
সীমা নেই যেখানে (যতবার খুশি বদলান)
কাজের সূত্রে বা ঘর পরিবর্তনের কারণে আধার কার্ডের ঠিকানা যতবার খুশি পরিবর্তন করা সম্ভব। এর জন্য ‘myAadhaar’ পোর্টাল মারফত অনলাইনেই আবেদন করা যায়।
পুরনো সিম কার্ড বন্ধ হয়ে গেলে বা নতুন নম্বর যুক্ত করতে চাইলে কোনো বাধা নেই। নিকটবর্তী আধার সেবা কেন্দ্রে (Aadhaar Seva Kendra) গিয়ে বা অফিশিয়াল অ্যাপের মাধ্যমে যতবার খুশি নতুন মোবাইল নম্বর লিঙ্ক করানো যাবে।
কড়া নিয়ম যেখানে (ভুল হলেই বিপদ)
- নিজের নাম: আধার কার্ডে নিজের নামের বানান বা পদবি জীবনে সর্বোচ্চ দুই বার সংশোধন করার সুযোগ মিলবে।
- জন্মের তারিখ: বয়সের প্রমাণপত্র বা জন্মতারিখ আধার ডেটাবেসে মাত্র এক বার এডিট করা যাবে।
- লিঙ্গ বা জেন্ডার: এই তথ্যটিও সম্পূর্ণ আধার কার্ডের মেয়াদে মাত্র এক বারই পরিবর্তন করা সম্ভব।
পকেটের কত খসবে?
UIDAI-এর নিয়ম অনুযায়ী, আধারের যেকোনো ডেমোগ্রাফিক তথ্য (যেমন নাম, ঠিকানা, লিঙ্গ, বয়স বা মোবাইল নম্বর) পরিবর্তনের জন্য সরকারিভাবে ৭৫ টাকা ধার্য করা হয়েছে। অনেক সময় পুরনো মোবাইল নম্বরটি হারিয়ে গেলে ওটিপি (OTP) পেতে সমস্যা হয়, সেক্ষেত্রে আধার সেন্টারে গিয়ে বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ দিয়ে সহজেই নতুন নম্বর নথিভুক্ত করা যায়। প্যান কার্ডের সঙ্গে লিঙ্কিং সচল রাখতে এবং প্রতারণার হাত থেকে বাঁচতে আধার কার্ডের ভুলগুলি অবিলম্বে শুধরে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।



















