
কলকাতা: প্রথম দফা নির্বাচনের ৭২ ঘন্টা আগে ফের ব্যাক্তিগত আক্রমণে বাড়ল রাজনৈতিক চাপানউতোর। (Abhishek Banerjee)তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অমিত শাহকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করে বলেছেন, “যদি সত্যিই সাহস থাকে, তাহলে ৪ মে কলকাতায় থেকে যান। দুপুর ১২টার পর আমি তাঁর সঙ্গে দেখা করব।”
এই বক্তব্যের পরই বিজেপি নেত্রী ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি বলেন, “শেয়ালেরা প্রায়ই সিংহের পিছনে ডাকে সিংহ কখন জবাব দেবে, সেটা তার ইচ্ছা। স্মৃতি আরও বলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বক্তব্য তৃণমূল কংগ্রেসের গুন্ডামির স্বরূপকে প্রকাশ করে দিয়েছে।”ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল অমিত শাহের বাংলা সফরকে কেন্দ্র করে। বিজেপির রাজ্যস্তরের একটি কর্মসূচিতে অংশ নিতে অমিত শাহ ৪ মে কলকাতায় আসার কথা।
আরও দেখুনঃ আইএসএল রেফারিং বিতর্কে মুখ খুললেন কল্যাণ চৌবে, পূর্ণাঙ্গ লিগের আশ্বাস
এই সফরের মাঝেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর একটি জনসভায় উপস্থিত থেকে ওই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। তিনি বলেন, “অমিত শাহ যদি সত্যিই বীরপুরুষ হন, তাহলে ৪ মে কলকাতায় থেকে যান। দুপুর ১২টার পর আমি তাঁকে দেখিয়ে দেব কীভাবে বাংলার মাটিতে রাজনীতি করতে হয়।”অভিষেকের এই আক্রমণাত্মক ভাষা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশ এই মন্তব্যকে ‘উস্কানিমূলক’ বলে সমালোচনা করেছেন। বিজেপি শিবির অবশ্য এই বক্তব্যকে তৃণমূলের ‘হুমকি ও গুন্ডারাজ’-এর প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরছে।
স্মৃতি ইরানি তাঁর প্রতিক্রিয়ায় আরও বলেন, “যারা সত্যিই শক্তিশালী, তারা কখনো এভাবে হুমকি দেয় না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় স্পষ্ট হয়েছে যে, তৃণমূল কংগ্রেস এখনও সন্ত্রাস ও গুন্ডামির রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। কিন্তু অমিত শাহ কোনো শেয়ালের ডাকে ভয় পান না। তিনি যখন প্রয়োজন মনে করবেন, তখনই জবাব দেবেন।”বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বও অভিষেকের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এটা স্পষ্ট যে তৃণমূল ভয় পেয়েছে। অমিত শাহের আগমন তাদের অস্বস্তিতে ফেলেছে। তাই তারা হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু বাংলার মানুষ এই গুন্ডামি আর সহ্য করবে না।”

