কোচবিহার: কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের নির্বাচনী প্রচারের মাঝেই বিক্ষোভের মুখে পড়লেন কংগ্রেস প্রার্থী খোকন মিয়াঁ। । মঙ্গলবার সকালে কোচবিহার শহর সংলগ্ন ফাঁসিরঘাট এলাকায় এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নির্বাচনের আগে এমন ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকায় প্রচারে গেলে খোকন মিয়াঁকে ঘিরে হঠাৎই একদল মানুষ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং কিছুক্ষণের জন্য গোটা এলাকা থমথমে হয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিতে থাকেন, যার ফলে প্রচার কার্যত ব্যাহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। পুলিশের হস্তক্ষেপে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়, তবে উত্তেজনার রেশ কিছু সময় ধরে থেকেই যায়।
এই ঘটনায় সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেস-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন কংগ্রেস প্রার্থী। খোকন মিয়াঁর দাবি, এই বিক্ষোভ স্বতঃস্ফূর্ত নয়, বরং পরিকল্পিতভাবে সংগঠিত করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনী প্রচারে বাধা সৃষ্টি করতেই এই ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশে এই ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং এটি সুষ্ঠু নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পরিপন্থী।
অন্যদিকে, এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিক্ষোভের সঙ্গে তাদের কোনও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগ নেই। তাদের দাবি, এটি ছিল সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ। স্থানীয় কিছু সমস্যাকে কেন্দ্র করেই মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বলে তৃণমূলের বক্তব্য। দলীয় নেতৃত্বের মতে, এই ঘটনাকে রাজনৈতিক রঙ দেওয়ার চেষ্টা করছে কংগ্রেস। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগে সরব হয়েছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে যেখানে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, সেখানে তৃণমূল দাবি করছে যে, বিরোধীরা ইচ্ছাকৃতভাবে পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করতে চাইছে।




















