তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) সম্প্রতি এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’, ‘পথশ্রী’ এবং ‘যুবসাথী’-র মতো একাধিক প্রকল্পের কথা, (Abhishek Banerjee) যা সাধারণ মানুষের জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে। এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে রাজ্যের নারী, যুব সমাজ এবং গ্রামীণ পরিকাঠামোর উন্নয়ন যে কীভাবে হয়েছে, তা তিনি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(Abhishek Banerjee) বলেন, “এই সরকার শুধু প্রতিশ্রুতি দেয় না, প্রতিশ্রুতি পূরণও করে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মহিলার হাতে সরাসরি আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এতে একদিকে যেমন মহিলাদের আর্থিক স্বাধীনতা বেড়েছে, তেমনই পরিবারের অর্থনৈতিক ভিত্তিও মজবুত হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, পথশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামের রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হয়েছে, যা যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সহজ করেছে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করেছে।
যুব সমাজের প্রসঙ্গে তিনি ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের কথা তুলে ধরে জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে তরুণ-তরুণীদের ডিজিটাল সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। পড়াশোনা থেকে শুরু করে বিভিন্ন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাঁর মতে, এই সমস্ত প্রকল্পই প্রমাণ করে যে তৃণমূল সরকার মানুষের পাশে থেকে কাজ করছে এবং উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে নাটাবাড়ির প্রসঙ্গ টেনে অভিষেক একটি রাজনৈতিক বার্তাও দেন। তিনি বলেন, “নাটাবাড়িতে বিধায়ক ছিলেন বিজেপির, কিন্তু পরিষেবা দিয়েছে তৃণমূল।” এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চান যে শুধুমাত্র নির্বাচনে জয়লাভ করাই যথেষ্ট নয়, মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করাটাই আসল দায়িত্ব। তাঁর দাবি, বিজেপি প্রতিনিধিত্ব করলেও বাস্তবে মানুষের উপকারে এসেছে তৃণমূল সরকারের উদ্যোগ।
তিনি আরও অভিযোগ করেন যে বিরোধীরা শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রচারে ব্যস্ত, কিন্তু মানুষের জন্য বাস্তবিক কোনও কাজ করছে না। অন্যদিকে তৃণমূল সরকার ধারাবাহিকভাবে উন্নয়নমূলক প্রকল্প চালু করে চলেছে এবং সেই প্রকল্পগুলির সুফল মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই কারণেই সাধারণ মানুষ এখনও তৃণমূলের উপর আস্থা রাখছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন আরও বলেন, “আমরা রাজনীতি করি মানুষের জন্য। মানুষের উন্নয়নই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। তাই আমরা শুধু কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী।”




















