কলকাতা: মালদায় সন্ত্রাস ছড়ানো মোফাক্কেরুল এখন CID জালে। (Mofakkarul Islam)তবে তিনি গ্রেফতার হওয়ার পর পরই একটি ছবি সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে একই ফ্রেমে মোফাক্কেরুল এবং তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়কে একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। এই ছবি ভাইরাল হতেই কটাক্ষ শুরু বিজেপির। বঙ্গ বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে আক্রমণ শানিয়ে বলেছে এটাই স্বাভাবিক। বাংলায় যত দুর্নীতিবাজ কিংবা সন্ত্রাসবাদী সবার সঙ্গেই তৃণমূলের আঁতাত রয়েছে এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই।
বুধবার ১ এপ্রিল কালিয়াচক-২ ব্লকের ডেভেলপমেন্ট অফিসে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় সাতজন বিচারককে (তিনজন মহিলা সহ) প্রায় আট-নয় ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। বিক্ষোভকারীরা পাথর ছুড়ে পুলিশের গাড়িতে আঘাত করে। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ লাঠিচার্জ করে বিচারকদের উদ্ধার করে। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্র থেকে জানা গিয়েছে এই প্রতিবাদ মোফাক্কেরুলের উস্কানিতেই হয়েছিল। শুধু তাই নয় গতবছরের মুর্শিদাবাদের হিংসাতেও তার হাত ছিল বলে জানা গিয়েছে।
আরও দেখুনঃ ৮ জেলায় অস্বস্তিকর গরমের সতর্কতা, সপ্তাহান্তে বিরাট পরিবর্তন আবহাওয়ায়
তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের কথা যে ভোটার লিস্টে নাম কাটার ইস্যু নিয়ে উস্কানি দেওয়া মোফাক্কেরুলের নাম কিন্তু ভোটার তালিকায় রয়েছে। তবে আরও বিতর্কিত হয়ে উঠেছে তার সঙ্গে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। ক্যামেরায় ধরা পড়া ছবিতে দুজনকে একসঙ্গে দেখা গেছে। এ নিয়ে বিজেপি প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূলের সঙ্গে তার কী সম্পর্ক? কেন একজন আইনজীবী ও রাজনৈতিক নেতা বিচারকদের অবরোধের মতো ঘটনায় জড়িত হলেন? তৃণমূল কংগ্রেস এখনও এ বিষয়ে স্পষ্ট জবাব দেয়নি।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ভোটার তালিকা নিয়ে। বিজেপি সরাসরি প্রশ্ন তুলেছে SIR প্রক্রিয়ায় বহু নাম ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’-র কারণে কাটা পড়েছে, সেই তালিকাতেই মোফাক্কেরুল ইসলামের নাম এখনও রয়ে গেছে কিভাবে। তারা আরও বলেছে তিনি নিজে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় উপস্থিত বিচারকদের ঘিরে রাখার ঘটনায় নেতৃত্ব দিলেন, অথচ তার নাম কাটা যায়নি। এটি কি নিছক কাকতালীয়, নাকি কোনো বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ?




















