কলকাতা: ভোট বঙ্গে নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে। (Canning West)আর এই আবহেই ফের ক্যানিংয়ের মত স্পর্শকাতর কেন্দ্রে চাঞ্চল্য। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ক্যানিং ওয়েস্ট বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বাঁশড়া এলাকায় বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বিজেপির দাবি, স্থানীয় তৃণমূল নেতা কাশেমের নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে।
এই ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে, যাতে দেখা যাচ্ছে উত্তেজিত জনতা বিজেপি সমর্থকদের ওপর আক্রমণ করছে।বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, বাঁশড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বিজেপি কর্মীরা একটা সভা বা প্রচারের কাজে জড় হয়েছিলেন। সেখানে হঠাৎ করে তৃণমূলের সমর্থকরা, যাদের মধ্যে অনেককে মৌলবাদী বলে চিহ্নিত করা হচ্ছে বিজেপির তরফে, হামলা চালায়। কাশেম নামে এক তৃণমূল নেতা এই হামলার নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
আরও দেখুনঃ আরও শক্তিশালী বায়ুসেনা, অ্যাডভান্সড জেট প্রোগ্রামে যোগ দেবে ভারত
কর্মীরা লাঠি, রড ও অন্যান্য অস্ত্র দিয়ে মারধর করা হয়েছে। কয়েকজন বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন, তাদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিজেপি এই ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক হিংসা’ এবং ‘তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনীর আক্রমণ’ বলে বর্ণনা করেছে। দলের নেতারা বলছেন, নির্বাচনের আগে তৃণমূল বিজেপিকে ভয় দেখিয়ে দমিয়ে রাখতে চাইছে, যাতে প্রচার করতে না পারে।এই অভিযোগের পর বিজেপি নেতারা দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
রাজ্য বিজেপির একাধিক নেতা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বলেছেন, “দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তৃণমূলের গুন্ডারা বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। কাশেমের নেতৃত্বে এই আক্রমণ। মোদীজি প্রত্যেকটা আঘাতের জবাব দেবেন দিদিকে। বাংলার অপেক্ষা শেষ হতে চলেছে।” এই ধরনের পোস্টে ভিডিয়ো শেয়ার করা হয়েছে, যাতে হামলার দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। বিজেপি দাবি করছে, এটা শুধু একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং তৃণমূলের পক্ষ থেকে পরিকল্পিত হিংসার অংশ।
দলের পক্ষ থেকে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট পাঠানোর কথা বলা হচ্ছে।অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। দলের স্থানীয় নেতারা বলছেন, এটা বিজেপির ‘ফেক নিউজ’ এবং ‘ভিকটিম কার্ড’ খেলার চেষ্টা। তারা দাবি করছেন, বিজেপি কর্মীরাই প্রথমে উস্কানি দিয়েছে বা সংঘর্ষ শুরু করেছে।




















